Malda: সকালে বাংলায় ঢুকে টোটো চালাচ্ছে, বিকেলে টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে | Bangladeshi Nationals Allegedly Enter Malda to Drive Toto Vehicles and Return Home with Their Earnings - 24 Ghanta Bangla News
Home

Malda: সকালে বাংলায় ঢুকে টোটো চালাচ্ছে, বিকেলে টাকা নিয়ে চলে যাচ্ছে বাংলাদেশে | Bangladeshi Nationals Allegedly Enter Malda to Drive Toto Vehicles and Return Home with Their Earnings

Spread the love

মালদহ: ভারতের রাস্তায় টোটো চালাচ্ছেন বাংলাদেশিরা! সকালে এসে সন্ধেয় ফিরে যাচ্ছেন বাংলাদেশে। বেআইনি টোটোকে ব্যবহার করছে বিভিন্ন উগ্র মৌলবাদী জঙ্গি সংগঠনও। ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন মালদহ জেলায় পঞ্চাশ হাজারের বেশি চলছে বেআইনি টোটো। ভারতীয় মালিকদের সেইসব টোটো বাংলাদেশিরা এসে চালান বলে অভিযোগ। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত ঘেরা জেলা মালদহে বিশেষ নির্দেশের ভিত্তিতে এবারে মাঠে নেমেছে পুলিশ।লাইসেন্সপ্রাপ্ত টোটোগুলিকে চিহ্নিত করার কাজ শুরু হল। একজন ব্যক্তি একটি টোটো বাণিজ্যিকভাবে চালাতে পারেন এবং যাঁর নামে টোটো তাঁকেই চালাতে হবে। অন্য কেউ সেই টোটো চালাতে পারবেন না।

টোটো চালকদের অভিযোগ, এমন বহু ব্যক্তি আছেন, যাঁরা ৭০ – ৮০ করে টোটো কিনে দেদার ভাড়া খাটান। কে ভাড়া নিচ্ছে তার পরিচয় না জেনেই দিয়ে দেন। দিন প্রতি ভাড়া খাটে সেই সব টোটো। সেই টোটো মালদহে এসে বাংলাদেশিরা চালিয়ে সন্ধেয় ফিরে যায়। আগের সরকারের সময় যাদের সংখ্যা অনেক বেশি ছিল। এখন কিছুটা কমলেও একেবারে বন্ধ হয়নি বলে দাবি টোটো চালকদের।

কী বলছেন পুলিশ সুপার?

এই বিষয়টি পরোক্ষে স্বীকার করে নিচ্ছেন পুলিশ সুপার অনুপম সিং। তাঁর কথায়, “কত বেআইনি টোটো আছে। সেটা আমরা খতিয়ে দেখছি।” বাংলাদেশিদের টোটো চালানোর অভিযোগ নিয়ে তিনি বলেন, “আমাদের কাছে লিখিত কোনও অভিযোগ আসেনি। তবে এবার চালকদের কাছে আধার কার্ড, ভোটার কার্ড থাকবে। আমরা মাঝেমধ্যে চেক করব। বোঝা যাবে কারা টোটো চালাচ্ছে।”

কী বলছেন টোটো চালকরা?

সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশিরা মালদহ এসে টোটো চালাচ্ছেন জানিয়ে গোবিন্দ বর্মণ নামে একজন টোটো চালক বলেন, “বাইরের লোক এসে টোটো চালায়। এখানকার মালিকের গাড়ি। সারাদিন বাংলাদেশ থেকে এসে টোটো চালায়। সন্ধের দিকে মালিককে টোটো দিয়ে ফিরে যায়।” টোটো চালক রতন রায় বলেন, “কোনও মালিকের ৭০-৮০টা টোটো রয়েছে। ওরা কোনও টোটো চালকের পরিচয় না দেখেই চালাতে দেয়। বাংলাদেশ থেকে এসে ওরা টোটো চালিয়ে ফিরে যায়। আমরা এখানকার টোটো চালকরা সমস্যায় পড়ি।” রাজেশ দাস নামে আর এক টোটো চালক বলেন, “বাংলাদেশ থেকে এসে যারা টোটো চালায়, তারা যে ভাড়াই পাক না কেন, যাত্রীকে তুলে নেয়। ফলে আমরা যাত্রী পাই না।”

মালদহ সীমান্ত কাঁটাতারহীন বিস্তীর্ণ এলাকা রয়েছে। সেখান দিয়েই মালদহে আসে বাংলাদেশিরা। রাজ্যে পালাবদলের পর নতুন সরকার কাঁটাতার বসানোর জন্য বিএসএফ-কে জমি দিয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *