ভালোবাসায় ভরা এক বছর ‘সইয়ারা’র
অনীত বলেন, ‘আমি আপনাদের বার্তা পড়েছি। সোশ্যাল মিডিয়ায় তৈরি করা ভিডিয়ো, কাভার, গভীর রাতের ক্যাপশন— সবই দেখেছি। আপনাদের হাসি, কান্না, অনুভূতি সবটাই যেন অনুভব করেছি। ‘সইয়ারা’-কে এত ভালোবাসার জন্য ধন্যবাদ। এমন এক পৃথিবীতে, যেখানে অনেক সময়ে অনুভূতি প্রকাশ করতে নিরুৎসাহিত করা হয়, সেখানে আপনারা নিজের আবেগকে গুরুত্ব দিয়েছেন। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ, ভিন্ন ভাষা ও ভিন্ন জীবনের গল্প নিয়ে থেকেও একই অনুভূতির সঙ্গে যুক্ত হয়েছেন। ভালোবাসা, অপেক্ষা, বিচ্ছেদ, আশা আর সুস্থ হয়ে ওঠার অনুভূতি যে সত্যিই সর্বজনীন, তা আবারও প্রমাণ হয়েছে। আপনারাই ‘সইয়ারা’-কে শুধু একটি সাউন্ডট্র্যাক নয়, একটি অনুভূতিতে পরিণত করেছেন। শিল্প কেন গুরুত্বপূর্ণ, কী ভাবে তা আমাদের বাঁচিয়ে রাখে, একে অপরের সঙ্গে যুক্ত করে এবং নতুন আশার জন্ম দেয়— তা আবারও মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।’ ‘কিছু গল্প কখনও পর্দাতেই শেষ হয় না। এই গল্পও তেমনই। কারণ এটি বেঁচে থাকবে প্রতিটি স্মৃতিতে, প্রতিটি সুরে এবং যাঁদের হৃদয় ছুঁয়ে গিয়েছে তাঁদের প্রত্যেকের মনে— চিরকাল,’ বার্তা অহনের।