Kalicharan Banerjee: ২০ খানা আইফোন দিলে তবেই হবে কাজ! ফাঁস হয়ে যাচ্ছে সেই কালীর আরও কীর্তি? | Kalicharan banerjees new case at new market ps regarding corruption for building plan
কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্য়ায়Image Credit: AI Generated Image
কলকাতা: বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেছিলেন, ‘কালীকে তুললেই সব বেরিয়ে আসবে।’ তারাতলায় কারখানা ভেঙে একাধিক শ্রমিকের মৃত্যুর পর আঙুল উঠেছিল প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) ওএসডি কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Kalicharan Banerjee) বিরুদ্ধে। দিনের পর দিন কলকাতা পুরনিগমের অন্দরে তিনি কতটা প্রভাব খাটিয়েছেন, কীভাবে তাঁর হাত ধরে বেনিয়ম আর দুর্নীতি হয়েছে, সে সব তথ্য ফাঁস হতে শুরু করে। অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতারও করা হয়। আর এবার আরও বিপাকে কালী।
একটি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর জেল হেফাজতে ছিলেন তিনি। এরই মধ্যে নিউ মার্কেট থানায় নতুন করে একটি অভিযোগ দায়ের হয় কালীচরণের বিরুদ্ধে। সেই অভিযোগের তদন্তভার নিয়েছে কলকাতা পুলিশের গুণ্ডাদমন শাখা। সেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে কালীর বিরুদ্ধে।
আজ, বুধবার কালীকে তোলা হয় ব্যাঙ্কশাল কোর্টে। অভিযোগ, দুটি বাড়ির প্ল্যান অনুমোদনের জন্য ২০টি আইফোন চেয়েছিলেন কালীচরণ। এই অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা হয়েছে। তবে ওই ব্যক্তি আইফোন দিয়েছিলেন কি না, তা জানা যায়নি।
শুভেন্দু অধিকারী আগেই অভিযোগ তুলেছিলেন, কালী না বললে কোনও প্ল্য়ানে অনুমোদন হয় না। এই কালী ক্যামাক স্ট্রিটের অ্যাপয়েন্ট করা বলেও অভিযোগ তুলেছিলেন তিনি। বলেছিলেন, “বাইপাসের ধারে ২০০ কোটি টাকায় তৃণমূলের ভবন বানাচ্ছে এই কালী। এখান থেকে টাকা তুলে পাঠায়।” সেই অভিযোগ অস্বীকার করেছিলেন কালীচরণ।
পুরনিগমের চিফ ম্যানেজার ছিলেন কালীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়। ফিরহাদ হাকিম মেয়র থাকাকালীন তাঁর ওএসডি ছিলেন এই মেধাবী অফিসার কালীচরণ। মেয়রের পাশেই বসে থাকতে দেখা যেত তাঁকে। ফিরহাদ ইস্তফা দেওয়ার পর সাংসদ তহবিল সংক্রান্ত বিভাগে দায়িত্ব পেয়েছেন তিনি।