How to prevent shoe bites: নতুন জুতো পরলেও ফোস্কা পড়বে না একটাও! জুতোর ভিতর এগুলো করে ফেলুন | Shoe bites causing blisters? 3 alternative smart ways to prevent shoe bites easily
নতুন জুতো (New Shoes) কেনার আনন্দ নিমেষের মধ্যে মাটি হয়ে যায়, যখনই প্রথমবার পায়ে গলিয়ে হাঁটার পরেই শুরু হয় সেই পরিচিত সমস্যা। ফ্যাশন করতে গিয়ে গোড়ালি কিংবা পায়ের বুড়ো আঙুলের চামড়া উঠে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটা ঘরে ঘরে অত্যন্ত চেনা এক সমস্যা। আর পায়ে ফোস্কা পড়লেই আমাদের মাথায় প্রথমে আসে চটজলদি ব্যান্ডেজ (Bandage) সেঁটে দেওয়ার কথা। কিন্তু এই চেনা দাওয়াই আসলে সাময়িক উপশম দেয়, মূল সমস্যার সমাধান করে না। জুতো পরার পর ফোস্কার যন্ত্রণায় ছটফট করার চেয়ে, জুতো পরার আগেই যদি সমস্যাটাকেই আটকে দেওয়া যায়, তবে কেমন হয়? চর্মরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, চামড়ার সঙ্গে জুতোর অতিরিক্ত ঘর্ষণের ফলেই এই ফোস্কা বা ‘শু বাইট’ তৈরি হয়। এবার থেকে নতুন জুতো পরে বেরনোর আগে ব্যান্ড-এইডের বদলে ব্যবহার করে দেখুন রান্নাঘরের এবং প্রাত্যহিক জীবনের অত্যন্ত সাধারণ ৩টি ঘরোয়া উপাদান।
১. পেট্রোলিয়াম জেলি বা নারকেল তেল
নতুন জুতো প্রথম কয়েকবার পায়ে দেওয়ার আগে তার শক্ত হিল বা ভেতরের কোণাগুলোতে ভালো করে পেট্রোলিয়াম জেলি (Petroleum jelly) মাখিয়ে সারারাত রেখে দিন। জেলের আর্দ্রতা জুতোর চামড়াকে নরম করে তোলে। এছাড়া জুতো পরার আগে পায়ের যেসব অংশে ঘর্ষণ বেশি হয়, যেমন গোড়ালি বা আঙুলের পাশে সামান্য নারকেল তেল লাগিয়ে নিতে পারেন। এটি চামড়ার ওপর একটি সুরক্ষাকবচ তৈরি করে, যার ফলে জুতোর চামড়া সহজে পায়ে কামড়ে বসতে পারে না।
২. ট্যালকম পাউডার
পায়ে অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণে জুতোর ভেতরের অংশের সঙ্গে ঘর্ষণ অনেক বেড়ে যায়, যা ফোস্কা পড়ার অন্যতম মূল কারণ। এই সমস্যার মোক্ষম দাওয়াই হল সাধারণ ট্যালকম পাউডার (Talcum powder)। জুতো পায়ে দেওয়ার ঠিক আগে পায়ে এবং জুতোর ভেতরে সামান্য পাউডার ছড়িয়ে নিন। পাউডার পায়ের বাড়তি আর্দ্রতা বা ঘাম শুষে নেয় এবং পা শুষ্ক রাখে। ফলে চামড়া ও জুতোর ঘর্ষণ কমে গিয়ে ফোস্কা পড়ার ঝুঁকি এক ধাক্কায় অনেকটাই কমে যায়।
৩. সাধারণ সাবানের টুকরো
শুনতে কিছুটা অদ্ভুত লাগলেও জুতোর কামড় থেকে বাঁচতে দারুণ কাজ করে কাপড় কাচার বা গায়ে মাখার শক্ত সাবান। নতুন জুতোর যে অংশগুলো একটু বেশি শক্ত বা ধারালো মনে হচ্ছে, সেখানে শুকনো সাবানের টুকরো ভালো করে ঘষে দিন। সাবানের পিচ্ছিল ভাবের কারণে জুতোর ভেতরের অংশটি মসৃণ হয়ে যায়। এর ফলে জুতো পায়ে দিয়ে হাঁটলেও তা চামড়ায় ঘষা খায় না এবং ফোস্কা পড়ার রাস্তা পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।