ভারতের ‘বাটার সিটি’ কোন শহর জানেন? - 24 Ghanta Bangla News
Home

ভারতের ‘বাটার সিটি’ কোন শহর জানেন?

Spread the love

ভারতের বিভিন্ন শহর নানা বিশেষ পরিচয়ে পরিচিত। কোথাও ‘পিঙ্ক সিটি’, কোথাও ‘সিলিকন ভ্যালি’, আবার কোথাও ‘সিটি অফ জয়’। কিন্তু জানেন কি, ভারতের একটি শহরকে বলা হয় ‘বাটার সিটি’? এই নামের পিছনে রয়েছে দুগ্ধশিল্পের ইতিহাস।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

ভারতের ‘বাটার সিটি’ নামে পরিচিত গুজরাটের আনন্দ (Anand)। খাঁটি মাখন, দুধ এবং দুগ্ধজাত পণ্যের জন্য এই শহরের খ্যাতি শুধু দেশেই নয়, বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তেও ছড়িয়ে রয়েছে।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

আনন্দ শহরের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িয়ে রয়েছে ভারতের অন্যতম বৃহৎ দুগ্ধ সমবায় সংস্থা আমুল (Amul)। ১৯৪৬ সালে এখান থেকেই শুরু হয়েছিল ‘হোয়াইট রেভোলিউশন’-এর পথচলা, যা ভারতের দুধ উৎপাদনের চিত্রই বদলে দেয়।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

ভারতের ‘হোয়াইট রেভোলিউশন’-এর জনক ড. ভার্গিস কুরিয়েনের নেতৃত্বে আনন্দ ধীরে ধীরে দেশের দুগ্ধশিল্পের প্রাণকেন্দ্রে পরিণত হয়। তাঁর উদ্যোগেই লক্ষ লক্ষ ক্ষুদ্র দুগ্ধচাষি সমবায়ের মাধ্যমে আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর হওয়ার সুযোগ পান।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

আজও আনন্দে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ দুধ সংগ্রহ, প্রক্রিয়াকরণ এবং মাখন, চিজ়, ঘি, দুধের গুঁড়ো-সহ নানা দুগ্ধজাত পণ্য তৈরি হয়। এখান থেকে দেশের পাশাপাশি বিদেশেও রপ্তানি করা হয় এ সব পণ্য।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

শুধু শিল্প নয়, কৃষি ও দুগ্ধ গবেষণার ক্ষেত্রেও আনন্দের গুরুত্ব অপরিসীম। এখানেই রয়েছে দেশের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দুগ্ধ ও পশুপালন গবেষণা প্রতিষ্ঠান, যা এই শিল্পের উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

‘বাটার সিটি’ নামটি শুধু মাখনের জন্য নয়, ভারতের দুগ্ধ বিপ্লবের কেন্দ্রস্থল হিসেবে আনন্দের ঐতিহাসিক গুরুত্বকেও তুলে ধরে। এই শহর প্রমাণ করেছে, সমবায়ের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে কী ভাবে একটি অঞ্চল গোটা দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারে।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

তাই ‘ভারতের বাটার সিটি’ বলা হলে একটাই নাম সবার আগে আসে— গুজরাটের আনন্দ।

আনন্দ শহরের ল্যান্ডমার্ক

মাখনের খ্যাতির পাশাপাশি ভারতের দুগ্ধ বিপ্লবের ইতিহাসেও এই শহরের নাম স্বর্ণাক্ষরে লেখা রয়েছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *