'তৃণমূলের তোষণে ভাঙা পড়েনি, বিজেপি ভাঙবেই!' বাঁকড়া মসজিদ নিয়ে সাফসুত্র তথাগত - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘তৃণমূলের তোষণে ভাঙা পড়েনি, বিজেপি ভাঙবেই!’ বাঁকড়া মসজিদ নিয়ে সাফসুত্র তথাগত

Spread the love

কলকাতা: কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে বাঁকড়া মসজিদ সরিয়ে (Bankra Mosque)নেওয়ার প্রস্তাব ঘিরে রাজ্যজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়…

কলকাতা: কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ের কাছে বাঁকড়া মসজিদ সরিয়ে (Bankra Mosque)নেওয়ার প্রস্তাব ঘিরে রাজ্যজুড়ে তুমুল আলোচনা শুরু হয়েছে। বিজেপি নেতা ও ত্রিপুরার প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায় এই প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, “এটা খুবই স্বাভাবিক এবং অনেক আগেই করা উচিত ছিল। বিমানবন্দরের এত কাছে কোনো মসজিদ থাকা বিশেষ করে আন্তর্জাতিক সীমান্তের নিকটবর্তী বিমানবন্দরের ক্ষেত্রে বড় নিরাপত্তা ঝুঁকি তৈরি করে।”

তথাগত রায় আরও বলেন, “আগের প্রশাসন মুসলিম ভোট হারানোর ভয়ে এই পদক্ষেপ নেয়নি। বর্তমান সরকারের এই উদ্যোগকে স্বাগত জানাই।” তাঁর এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে।বাঁকড়া মসজিদটি কলকাতা বিমানবন্দরের রানওয়ের খুব কাছে অবস্থিত। তথাগত রায় তার মন্তব্যে স্পষ্ট করেছেন আগের সরকারের তোষণে ভাঙা পড়েনি এই মিসজিদ কিন্তু বিজেপি সরকার ব্যবস্থা নেবেই।

আরও দেখুনঃ পুলিশে বড়সড় রদবদল: সিআইডি থেকে সরলেন সুপ্রতিম সরকার

তার মতে আন্তর্জাতিক বিমান চলাচল নিয়ম অনুসারে বিমানবন্দরের আশপাশে নির্দিষ্ট এলাকায় কোনো স্থায়ী স্থাপনা না রাখাই নিরাপদ। কলকাতা বিমানবন্দর আন্তর্জাতিক সীমান্তের কাছে হওয়ায় নিরাপত্তার দিকটি আরও সংবেদনশীল।তথাগত রায়ের যুক্তি হল, নিরাপত্তা ঝুঁকির কথা বিবেচনা করে এই মসজিদ সরানো উচিত। তিনি বলেন, ধর্মীয় স্থাপনা হলেও জননিরাপত্তা ও বিমান চলাচলের নিরাপত্তা সবার আগে।

আগের সরকার রাজনৈতিক স্বার্থে এই বিষয়টি এড়িয়ে গেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। বর্তমান প্রস্তাবকে তিনি “সাহসী পদক্ষেপ” বলে উল্লেখ করেছেন।এই প্রস্তাব নিয়ে রাজ্যের রাজনীতিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। একদিকে বিজেপি ও সমর্থকরা এটিকে নিরাপত্তার দৃষ্টিকোণ থেকে যৌক্তিক বলছেন। আবার অন্য দিকে কলকাতার ইসলাম ধর্মের মানুষরাও সরব হচ্ছেন এই মসজিদ ভাঙার প্রস্তাব নিয়ে।

আরও দেখুনঃ লোকসভায় এনসিপিআই-এর দলনেতা সুদীপ, মুখ্য সচেতক কাকলি

তথাগত রায়ের মন্তব্যের পর বিজেপি নেতারা বলছেন, রাজ্যে নিরাপত্তা ও উন্নয়নের স্বার্থে কঠিন সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় এসেছে। তাঁরা জানান, শুধু ভোটের রাজনীতির কারণে জননিরাপত্তাকে উপেক্ষা করা চলবে না। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতারা বলছেন, এটি সাম্প্রদায়িক রাজনীতির অংশ। তারা অভিযোগ করেছেন যে, বিজেপি ইচ্ছাকৃতভাবে ধর্মীয় বিষয়কে উস্কে দিয়ে রাজনৈতিক ফায়দা তুলতে চাইছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *