LPG Crisis India: ফের বন্ধ হরমুজ প্রণালী, আবার LPG সিলিন্ডারে সঙ্কট-টানাটানি শুরু হবে? দামও বাড়বে কি? | Strait of Hormuz Closed Once Again, Will India Face LPG Crisis Again? Crude Oil Supply Can Raise Price
আবার এলপিজি সঙ্কট তৈরি হবে?Image Credit: PTI
নয়া দিল্লি: আবার নতুন করে সংঘাত শুরু ইরান-আমেরিকার। স্বাভাবিকভাবেই ফের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে এলপিজি-পেট্রোল-ডিজেলের সরবরাহ নিয়েও। আবার জ্বালানি সঙ্কট দেখা দেবে না তো? আবার দাম বাড়বে না তো? কারণ ইরান-আমেরিকা সংঘাত যখন শুরু হয়েছিল, তখন এমনই হয়েছিল।
রবিবার ইরান ঘোষণা করেছে যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। আমেরিকা হামলা চালাতেই পাল্টা জবাবে ইরান মধ্য প্রাচ্যের একাধিক দেশে হামলা চালিয়েছে মিসাইল ও ড্রোন দিয়ে। এদিকে, আমেরিকা পাল্টা দাবি করছে যে এখনও হরমুজ প্রণালী খোলা রয়েছে। তবে যুদ্ধের মাঝে হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ আসা যে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ, তা নতুন করে বলার প্রয়োজন রাখে না।
ভারতের তেল ও গ্যাস আমদানিতে প্রভাব পড়বে?
এই সংঘাত ভারতের জন্যও উদ্বেগের কারণ দেশের তেল ও জ্বালানি চাহিদার ৮০ শতাংশই আমদানি করা হয় বিদেশ থেকে। আর বিশ্বের চাহিদার প্রায় ৭০ শতাংশেরও বেশি তেল ও জ্বালানি এই হরমুজ প্রণালী দিয়েই আসে। তবে সূত্রের খবর, নতুন করে ইরান-আমেরিকার মধ্য়ে সংঘাত শুরু হলেও তা ভারতের ক্রুড তেল আমদানিতে বিশেষ প্রভাব ফেলতে পারেনি। রিফাইনারি বা তৈল শোধনাগারে অপরিশোধিত ক্রুড তেল সরবরাহ বজায় আছে বলেই জানা গিয়েছে।
আর এখন ভারত কোনও নির্দিষ্ট এক দেশ থেকে নয়, অপরিশোধিত ক্রুড তেল আমদানি করে একাধিক দেশ থেকে। রাশিয়া থেকে একটা বড় অংশ তেল আমদানি করা হয়। এছাড়া সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি থেকেও তেল আমদানি করা হয়। ভেনেজুয়েলার মতো লাতিন আমেরিকার দেশও বড় তেল ও জ্বালানি সরবরাহকারী হয়ে উঠেছে।
গত জুন মাসেই ভারতের ক্রুড তেল আমদানি ছিল দৈনিক ৪.৯৩ মিলিয়ন ব্যারেল। রাশিয়া থেকে তেল কেনা বাড়িয়েছে ভারত। প্রতিদিন প্রায় ২.৭ মিলিয়ন ব্যারেল আমদানি করা হয়।
এলপিজি সঙ্কট দেখা দেবে?
ইরান-আমেরিকার সংঘাত যখন শুরু হয়েছিল, তখন ভারতে এলপিজি সঙ্কট দেখা দিয়েছিল। অনেকেই আতঙ্কে বেশি করে এলপিজি সিলিন্ডার কিনে নিয়েছিলেন। বাধ্য হয়ে সরকারকে এলপিজি বন্টন ও সরবরাহের নিয়ম কঠোর করতে হয়। দুই সিলিন্ডার বুকিংয়ের মাঝে ব্যবধান বাড়ায়। বর্তমানে এই সঙ্কট অনেকটাই মিটে গিয়েছে। তবে নতুন করে হরমুজ প্রণালী বন্ধের খবরে ফের একবার চিন্তা বেড়েছে এলপিজি ও এলএনজি সরবরাহ নিয়ে, কারণ এর বিকল্প খুবই কম। মধ্য প্রাচ্যে সঙ্কট দেখা দিলে বা শিপিং রুটে সমস্যা হলে ভারতের গ্যাসের ভাঁড়ারেও টান পড়তে পারে।