Bangladesh: বাংলাদেশে রাম মন্দির! টাকা তুলতেই বড় পদক্ষেপ করল তারেকের সরকার | Bangladesh police arrested an organizer associated with a proposed Ram temple in Gaibandha
হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসImage Credit: TV9 Bangla
ঢাকা: এবার বাংলাদেশে গ্রেফতার রাম মন্দির তৈরির উদ্যোক্তা। পলাশবাড়ির রাম মন্দির উদ্যোগের সঙ্গে যুক্ত হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসকে গ্রেফতার করল বাংলাদেশ পুলিশ। গাইবান্ধার পলাশবাড়িতে প্রস্তাবিত রাম মন্দির নির্মাণ উদ্যোগের অন্যতম উদ্যোক্তা হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসকে সোমবার গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশের কর্তারা । তাঁর গ্রেফতারি ঘিরে তীব্র ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে। তারেক রহমানের সরকারের বিরুদ্ধে সনাতনীদের উপর দমন পীড়নের অভিযোগ উঠেছে।
বাংলাদেশ পুলিশের দাবি, হরিদাসচন্দ্র তরণী দাসের বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়ম ও অর্থপাচার সংক্রান্ত অভিযোগ রয়েছে। এবং সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এদিন তাঁকে আদালতে তোলা হলে বিচারক ৪ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেন।
পুলিশের বক্তব্য খারিজ করে হরিদাসের পরিবার ও আইনজীবীর দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। তাঁদের অভিযোগ, পলাশবাড়িতে বৃহৎ রাম মন্দির নির্মাণের উদ্যোগ এবং সংখ্যালঘু হিন্দু সমাজের বিভিন্ন ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে সক্রিয় ভূমিকা পালনের কারণেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁরা হরিদাসের দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার এবং মুক্তির দাবি জানিয়েছেন। অভিযুক্তের আইনজীবী জানান, মন্দির নির্মাণের জন্য বহু মানুষ অর্থ সাহায্য করেছেন। সেই অর্থকেই হাওলার অর্থ বলে মামলা দায়ের করে গ্রেফতার করা হয়েছে।
উল্লেখ্য, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, উপাসনালয়ের সুরক্ষা এবং ধর্মীয় স্বাধীনতা নিয়ে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক মহলে উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠন বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের উপর হামলা ও ভয়ভীতির অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে বিষয়টি বিচারাধীন বলে জানানো হয়েছে। গোটা পরিস্থিতির উপর নজর রাখছেন বাংলাদেশের সংখ্যালঘু অধিকার ও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতারা।
এর আগে ২০২৪ সালের অগস্টে শেখ হাসিনা প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে বাংলাদেশ ছাড়ার পর পদ্মপারের দেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুদের উপর আক্রমণ বেড়েছিল। মহম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে একের পর এক হিন্দু খুন হন বাংলাদেশে। আবার ২০২৪ সালের নভেম্বরে রাষ্ট্রদ্রোহের অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছিল সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে। বাংলাদেশে স্থায়ী সরকার গঠন হলেও চিন্ময়কৃষ্ণ এখনও জামিন পাননি।