সিলিং থেকে ঝরে পড়ছে আগুন, বিয়ারের ক্রেট দিয়ে আটকানো ‘ইমারজেন্সি এক্সজ়িট’, ব্যাঙ্ককের পাব ছিল ‘মরণফাঁদ’
উদ্ধারকারী দল জানিয়েছে, অধিকাংশের মৃত্যু হয়েছে বিষাক্ত ধোঁয়া শ্বাসের সঙ্গে শরীরে প্রবেশ করায়। ইমারজেন্সি দরজার সামনে ছাড়াও শৌচাগারের কাছ থেকেও বহু মৃতদেহ উদ্ধার হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী অনুতিন চার্নভিরাকুল বলেন, ‘অধিকাংশ মানুষই প্রাণ বাঁচাতে পিছনের দিকে থাকা বাথরুমের দিকে ছুটে গিয়েছিলেন, কারণ সেখানে কোনও আগুন ছিল না। কিন্তু সেখানে কোনও বেরোনোর রাস্তা বা অক্সিজেন না থাকায়, তীব্র ধোঁয়া ও আতঙ্কের কারণে তারা সেখানেই আটতে পড়ে, দমবন্ধ হয়ে মারা যান।’