৮ দিনের পুলিশ হেফাজতে CPIM নেতা লাহেক আলি
সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী বলেন, ‘রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত হয়ে গ্রেপ্তারি। যখন গণপিটুনি হয়েছে, লাহেক আলি তার পরে ওখানে পৌঁছেছে। সরকার ভয় পেলে যে ভাবে ভয় দেখায়, সে ভাবেই ভয় দেখাচ্ছে। যদি তদন্তের আগেই নির্দোষ বলে দেওয়া হয়, কে দোষী কার কত বড় অপরাধ তা বলা হয়, সেটা আইনের শাসন নয়।’
লাহেক আলির হয়ে মামলা লড়া আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রীকে খুশি করার জন্য লাহেক আলিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।’ তিনি জানান, ৯ জুলাই হাইকোর্টে মামলা করেন লাহেক। ১১ জুলাই সেই চিঠি বারুইপুর থানায় এসে পৌঁছনোর পরে ১২ জুলাই নতুন অভিযোগ দায়ের করে সেই দিনই গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায়। সেখানে দেখা যাচ্ছে, জনতাকে চুপ করতে বলছেন লাহেক আলি। পাশে দাঁড়িয়ে পুলিশ আধিকারিক ও পুলিশ কর্মী।