বীরভূমে ফের কেষ্ট, বিদ্রোহী তৃণমূলে রাজ্য কমিটিতে বালুও, মেয়ো রোডে ২১ জুলাই পালনের অনুমতি ঋতব্রতদের
তৃণমূলের কালীঘাট শিবির সুব্রত বক্সীর জায়গায় চন্দ্রিমা ভট্টাচার্যকে রাজ্য সভাপতি করার পরে চন্দ্রিমা একাধিক জেলার সভাপতির নাম ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু পূর্ব বর্ধমানে রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায় সভাপতির দায়িত্ব পালন করতে গররাজি হন। সেই রবীন্দ্রনাথকে এ দিন বিদ্রোহী শিবিরের তরফে পূর্ব বর্ধমান জেলার সভাপতি হয়েছে। পাশাপাশি দেবাশিস কুমারকে দক্ষিণ কলকাতার সভাপতি করা হয়েছে। জলপাইগুড়ির সভাপতি হয়েছেন মহুয়া গোপ। মুর্শিদাবাদ সাংগঠনিক জেলায় অপূর্ব সরকার, জঙ্গিপুর সাংগঠনিক জেলায় ইমানি বিশ্বাস, রানাঘাট সাংগঠনিক জেলার সভাপতি হয়েছেন দেবাশিস গঙ্গোপাধ্যায়। পশ্চিম বর্ধমানের সভাপতি হয়েছেন নরেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী, হাওড়া গ্রামীণে অরুণাভ সেন। এই নেতারা প্রত্যেকেই ২০২৬–এর বিধানসভা ভোটের সময়ে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্বের দায়িত্বে ছিলেন। বিদ্রোহী শিবিরের রাজ্য কমিটিতে পোড়খাওয়া একদল তৃণমূল নেতাও অন্তর্ভুক্ত হয়েছে। ঋতব্রতর কথায়, ‘রবীন্দ্রনাথ ঘোষ, বিকাশ রায়চৌধুরী, স্বর্ণকমল সাহা, অপূর্ব চৌধুরী, নারায়ণ গোস্বামী, গিয়াসউদ্দিন মোল্লা, তাজমুল হোসেন, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক, জ্যোৎসা মান্ডি, বিধান উপাধ্যায়, শান্তনু সিনহা— এঁরা রাজ্য কমিটির সদস্য হয়েছেন। এ ছাড়া সমস্ত বিধায়ক, জেলা সভাপতিরা রাজ্য কমিটির সদস্য হয়েছেন।’