এমন চিৎকার যেন মাঠে থাকলে বিরাট কিছু করে নিতাম: সৌরভ
সৌরভ দাস, অভিনেতা
আমার বড় হওয়া আর মেসির লেজেন্ড হয়ে ওঠা প্রায় একই সময়ে। এখনও মনে আছে বাটানগরের একটা ঘরে টিভি ছিল। বাবা-মা, পাড়ার সকলে একসঙ্গে টিভি দেখতেন। রাস্তায় দাঁড়িয়ে জানলা থেকেও টিভি দেখেছি। এ ভাবেই বিশ্বকাপের উন্মাদনা শুরু। সেটা এখনও রয়ে গিয়েছে। এর পরে নিজেও টুকটাক পাড়ায় ফুটবল খেলেছি।
ছোটবেলা থেকেই আমি স্পেনের সমর্থক। কিছু কারণে দেশটাকে আমার খুব ভালোলাগে। তবে সবকিছুর ঊর্ধ্বে আমি মেসির ফ্যান। স্পেন আর আর্জেন্তিনা দুটো দেশই যেহেতু এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপের ময়দানে রয়েছে, তাই এই বছরের বিশ্বকাপ আরও একটু বেশিই স্পেশাল আমার কাছে।
মেসির আগেরবারের জয়ের মুহূর্ত এখনও ভুলতে পারিনি। এ বছর বিশ্বকাপের সময়টায় আমি আমেরিকায় রয়েছি। তবে মাঠে গিয়ে খেলা দেখার সুযোগ হয়ে ওঠেনি আমার। আসার পরে বিভিন্ন কাজ নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ছিলাম। হাতে তেমন কোনও কাজও নেই। অথচ, এখন আমি সান ফ্রান্সিসকোয় রয়েছি। কিন্তু এখানে তো ম্যাচ নেই, অগত্যা ফোনেই সব দেখতে হচ্ছে।
ফাইনাল অবশ্য কলকাতায় বসে বন্ধুদের সঙ্গেই দেখতে হবে। তাই যে করেই হোক আগে ফিরে আসছি। মেসিকে ওয়ার্ল্ড কাপ হাতে আগেও দেখেছি, আশা রাখছি এ বারও দেখব। এ বছরের বিশ্বকাপ তো বুঝিয়ে দিয়েছে কেউই ছোট নয়। না হলে ইজিপ্ট এ ভাবে টেনশনে ফেলে দিতে পারে? ওয়ান সাইডেড ম্যাচ দেখতেই পাচ্ছি না সে ভাবে। জোরদার কম্পিটিশন এটাকেই হয়তো বলে।
খেলা দেখার সময়ে চিৎকার, চেঁচামেচি এমন করি যেন আমিই কোনও বড় কোচ, বা মাঠে থাকলে বিরাট কিছু করে নিতাম। তবে একটা বিষয়, ফুটবল নিয়ে আবেগ সব মানুষেরই থাকে, তবে বাঙালিদের একটু বেশিই থাকে। তাই টেনশন যে তুঙ্গে এ কথা তো বলাই যায়।