মেদিনীপুর মেডিক্যালের পাঁচ জনকে শোকজ় করল স্বাস্থ্য দপ্তর
রোগিণীর ছেলে বিশ্বজিৎ দে এই গাফিলতির সঙ্গে জড়িতদের শাস্তির দাবি করেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, ‘এত বড় একটা হাসপাতালে এমন ভুল হয় কী করে? এই গাফিলতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের শাস্তি হওয়া দরকার।’ শোকজ়ের বিষয়টি জানার পরে বিশ্বজিৎ বলেন, ‘তদন্ত করে প্রকৃত দোষীকে বের করতে হবে। কার গাফিলতিতে এমন ঘটনা ঘটছে, সেটা খুঁজে বের করতে হবে এবং শাস্তি দিতে হবে।’
অতীতেও একই ঘটনা ঘটে মেদিনীপুর মেডিক্যালে। ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে পাঁচ জন প্রসূতি অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। অভিযোগ, স্যালাইন দেওয়ার পরেই তাঁরা অসুস্থ বোধ করেন। এক জনের সেখানেই মৃত্যু হয়। চার জন প্রসূতিকে গ্রিন করিডর করে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। এসএসকেএমে একজন প্রসূতি মারা যান। বাকিরা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। একজন মহিলা মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ থেকে সুস্থ হলেও মৃত্যু হয় তাঁর সন্তানের।