Wildlife Smuggling: স্লো লরিস থেকে মিশরীয় শকুন, CBI-DRI যৌথ অভিযানে বাংলায় বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের বিরাট পর্দাফাঁস | From slow lorises to Egyptian vultures, Massive wildlife smuggling ring busted in Bengal in joint CBI DRI operation
আর কী কী উদ্ধার হল দেখুনImage Credit: TV 9 Bangla
কলকাতা: সিবিআই এবং ডিআরআই যৌথ অভিযানে বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের পর্দাফাঁস। মহারাষ্ট্র ও কলকাতায় একযোগে তল্লাশি। বেশ কিছু বিরল প্রজাতির পাখি, ৫৩টি বন্যপ্রাণী উদ্ধার। মোট ৬ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক বন্যপ্রাণী পাচার চক্রের জাল ছড়িয়েছে উত্তর ২৪ পরগনাতেও। সিবিআই এবং DRI এর যৌথ অভিযানে গতকাল রাতে মসলন্দপুর ১ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত নতুনপল্লী এলাকার বাসিন্দা সৈকত বিশ্বাসের বাড়িতে অভিযান চালানো হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, অভিযানে ওই বাড়ি থেকে উদ্ধার করা হয়েছে ১০টি বিরল স্লো লরিস এবং ৬টি মিশরীয় শকুন। গ্রেফতার করা হয়েছে সৈকত বিশ্বাসকে।
ডিআরআই মুম্বই-এর তথ্যের ভিত্তিতে মহারাষ্ট্র ও পশ্চিমবঙ্গের একাধিক জায়গায় একযোগে গতকাল অভিযান চালানো হয় বলে খবর। উদ্ধার হয়েছে মোট ১৫টি স্লো লরিস (Slow Loris), ২টি বিন্টুরং (Binturong), ২৮টি স্টার টরটয়েজ (Star Tortoise), ৬টি মিশরীয় শকুন (Egyptian Vulture), ২টি শিকরা পাখি (Shikra)।
সিবিআই সূত্রে খবর, গত ৭ এবং ৮ জুলাই পৃথক দুটি মামলা রুজু হয়। তদন্তে নেমে মুম্বই থেকে ৩ জন অভিযুক্তকে এবং পশ্চিমবঙ্গ থেকে আরও ৩ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ) আইন, ১৯৭২ এবং ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS), ২০২৩-এর অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র সংক্রান্ত ধারায় মামলা রুজু করা হয়। সিবিআই সূত্রে খবর, অভিযুক্তরা ভারতের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে এই বন্যপ্রাণীগুলি সংগ্রহ করেছিল পাচার করার উদ্দেশ্যে। লক্ষ লক্ষ টাকায় বিক্রি করার পরিকল্পনা ছিল। শুধু উত্তর ২৪ পরগনা নয়, বাকি জায়গা থেকে উদ্ধার হওয়া বন্যপ্রাণী এবং পাখি গুলিকে কোথা থেকে কি ভাবে নিয়ে আসা হয়েছিল, আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে আরও কারা জড়িত, তাও খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা।