US-Iran War: মধ্যরাতেই ইরানে পরপর হামলা মার্কিন বাহিনীর, পাল্টা আমেরিকার সামরিক ঘাঁটিতেও ক্ষেপণাস্ত্র ছুড়ল তেহরান, ফের যুদ্ধ শুরু? | Us launches fresh airstrikes on iran tehran retaliates with missile attacks on us bases in bahrain and kuwait
তেহরান ও ওয়াশিংটন: পশ্চিম এশিয়ার আকাশে ফের যুদ্ধের কালো মেঘ। ইরানের (Iran-US Conflict) সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি ভাঙার পরই তীব্র হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। বুধবার মধ্যরাতে ইরানে নতুন করে হামলা চালাল আমেরিকা। বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে ওঠে তেহরানের একাধিক শহর। পরপর বিমান হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। আমেরিকার হামলার পাল্টা জবাবও দিয়েছে ইরান। বাহরিন ও কুয়েতে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র (US airstrike to Iran) হামলা চালানো হয়েছে বলে দাবি ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যমে।
সংঘর্ষবিরতি ভঙ্গ ও ট্রাম্পের হুঁশিয়ারি
ইরানে সাতদিন ধরে প্রাক্তন সুপ্রিম লিডার খামেনেইয়ের শেষকৃত্যের অনুষ্ঠান চলছে। আজই খামেনেইকে সমাধিস্থ করা হবে। তার মাঝেই ইরানের উপর হামলা চালাল আমেরিকা। গতকালই ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন ইরানের সঙ্গে সংঘর্ষবিরতি শেষ। আর কোনওরকম চুক্তি করতে চায় না আমেরিকা। ট্রাম্পের কথায়,”আমার মনে হয়, এই চুক্তি শেষ। আমি এদের সঙ্গে আর কোনও চুক্তি করতে চাই না, এরা নীচ, জঘন্য মানুষ। এদের নেতৃত্বেও রয়েছে জঘন্য ব্যক্তিরা।” শুধু তাই নয়, ইরানে তীব্র হামলা চালানোর হুঁশিয়ারিও দেন ট্রাম্প।
ইরানে হামলা আমেরিকার
ট্রাম্পের হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার পরই ইরানে বিমান হামলা চালায় মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড। দক্ষিণ ইরানের ৮০টিরও বেশি সামরিক জায়গায় হামলা চালানো হয়েছে। হরমুজের কাছে বাণিজ্যিক জাহাজেও হামলা চালিয়েছে মার্কিন বাহিনী। অন্যদিকে, ইরানের আব্বাস বন্দর ও সিরিকে পরপর বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। হামলা চালানো হয় কোনারক ও চাবাহার এলাকার কাছে। বিস্ফোরণের পর ইরানের একাধিক এলাকা বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ওয়াশিংটনের দাবি, মঙ্গলবার হরমুজ প্রণালীতে তিনটি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার পর নৌ-চলাচলের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই অভিযান চালানো হয়েছে।
পাল্টা হামলা তেহরানের
ইরানের সংবাদমাধ্যমের দাবি, বৃহস্পতিবার বাহরিনে মার্কিন নৌবাহিনীর ফিফথ ফ্লিটের সদর দফতর এবং কুয়েতে একটি মার্কিন সামরিক ঘাঁটি লক্ষ্য করে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে। হামলার পরই নৌবাহিনীর সদর দফতরে আগুন লাগে। পাশাপাশি কুয়েতে হামলার ভিডিও প্রকাশ করে ইরানের সংবাদমাধ্যম। সেখানে ওই ঘাঁটিকে আমেরিকার সন্ত্রাসবাদীদের ঘাঁটি বলেও উল্লেখ করা হয়। আগেই ইরানের ইসলামিক রেভলিউশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) সতর্ক করে জানিয়েছিল, মার্কিন হামলার ধ্বংসাত্মক জবাব দেবে তাঁরা। অন্যদিকে, কুয়েতের সেনাবাহিনী জানিয়েছে, শত্রুপক্ষের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা প্রতিহত করছে তারা।