Medinipur Medical College: 'খুব বুক জ্বালা করছে..', কথা শুনে মায়ের স্যালাইনের বোতলের দিকে তাকাতেই মাথায় হাত ছেলের | Patient party accused that expired saline is given patient in medinipur medical college - 24 Ghanta Bangla News
Home

Medinipur Medical College: ‘খুব বুক জ্বালা করছে..’, কথা শুনে মায়ের স্যালাইনের বোতলের দিকে তাকাতেই মাথায় হাত ছেলের | Patient party accused that expired saline is given patient in medinipur medical college

Spread the love

মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন কীভাবে দেওয়া হল তদন্ত করছে টিমImage Credit: Tv9 Bangla

মেদিনীপুর: মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজের স্যালাইন-কাণ্ডের কথা মনে আছে? গত বছর (২০২৫ এর ৮ জানুয়ারি) মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজে এক প্রসূতির মৃত্যু হয়। অভিযোগ শোনা যায় মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার কারণেই মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়েন ওই তরুণী। গুরুতর অসুস্থ ছিলেন আরও তিন প্রসূতি। সেই ঘটনার এক বছর কাটতে না কাটতে ফের সেই একই সমস্যা। আর ফের শিরোনামে আবারও মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতাল। এবারও এক রোগীকে মেয়াদ উত্তীর্ণ স্যালাইন দেওয়ার অভিযোগ উঠল এই হাসপাতালের বিরুদ্ধে।

মেদিনীপুর শহরের বিদ্যাসাগরপল্লীর বাসিন্দা মানসী দে। গত ৫ জুলাই স্ট্রোক সহ একাধিক সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়। রোগীর পরিবারের দাবি, স্ট্রোক হওয়ায় রোগীকে ভর্তি করা হয় হাসপাতালে। বুধবার হঠাৎ অসুস্থ মহিলা জানান তাঁর বুক জ্বালা করছে। তা শুনে চিন্তায় পড়েন ওই মহিলার ছেলে। স্যালাইনের বোতলের দিকে চোখ পড়তেই কার্যত চমকে যান তিনি।

ছেলে বিশ্বজিৎ বলেন, “মায়ের স্ট্রোক ছাড়াও একাধিক সমস্যা রয়েছে। বুধবার সকাল থেকে চলছিল স্যালাইন। হঠাৎ বিকেলে বলে বুক জ্বালা করছে। তখন স্যালাইন বোতলের দিকে তাকাতেই দেখি এই বছরের মার্চ মাসে এক্সপায়ার হয়ে গিয়েছে। সেই স্যালাইন কীভাবে দেওয়া হল? আমি হাসপাতালের কাছে এই বিষয়টা জানতে চেয়েছি।

এ দিকে, ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছয় কোতোয়ালি থানার পুলিশ। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের নজরে আসতেই রোগীকে পাঠানো হয় আইসিইউতে (ICU)। অভিযোগ আসতেই টিম পাঠিয়ে তদন্ত শুরু করেছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। এ প্রসঙ্গে এমএসভিপি ইন্দ্রনীল সেন বলেন, “ভুল ঠিক প্রশ্ন নয়, রোগিনী স্টেবিল আছে। স্ট্রিক অবজার্ভেশন রয়েছে। হাসপাতালে মেডিসিন গুলো স্টক থাকে। কোন ভাবে হয়ত একটা দেওয়া হয়েছে। সঙ্গে-সঙ্গেই চিহ্নিত হয়েছে। ওঁকে গতকালই ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে পাঠানোর কথা ছিল কিন্তু রোগীর বাড়ির লোকেরা করেনি।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *