ধান বিক্রিতে বিতর্ক থামাতে স্মারকলিপি মুখ্যসচিবকে - 24 Ghanta Bangla News
Home

ধান বিক্রিতে বিতর্ক থামাতে স্মারকলিপি মুখ্যসচিবকে

Spread the love

এই সময়, পুরুলিয়া: সরকারি ধান বিক্রির ক্ষেত্রে চালকলের কর্মীদের সঙ্গে চাষিদের ঝামেলার ঘটনা নতুন নয়। তার কারণ ধানের সঙ্গে মিশে থাকা ধুলো-মাটি বা আবর্জনা। ধান কেনার মরশুমে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে চালকলের সঙ্গে চাষিদের এই ঝামেলা এড়াতে গ্রেন অ্যানালাইজ়ার যন্ত্র বসানোর দাবি তুলল রাজ্যের চালকল মালিকদের সংগঠন ওয়েস্ট বেঙ্গল রাইস মিল ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন।

তার সঙ্গে অন্য রাজ্যের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে মিলিং চার্জ বাড়ানো, বকেয়া পাওনা মিটিয়ে দেওয়ার মতো আরও কিছু দফা দাবিতে রাজ্যের মুখ্য সচিবকে স্মারকলিপি দিয়েছে এই সংগঠন। সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোজ ফোগলা, সভাপতি তারাপদ মহাপাত্র, চেয়ারম্যান সুনীল চৌধুরী ও কোষাধ্যক্ষ নির্মল আগরওয়াল, এই চার জন শনিবার মুখ্য সচিব মনোজ আগরওয়ালের হাতে এই দাবিপত্র তুলে দেন।

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মনোজ বলেন, ‘বিধি মোতাবেক এক কুইন্টাল ধানের বিনিময়ে রাজ্য সরকারকে ৬৮ কেজি চাল দিতে হবে। ফলে সব চালকল পরিষ্কার ধান নিতে চায়। সমস্যা হয় যখন ধানের সঙ্গে মিশে থাকা ধুলো-মাটি মিশে থাকে, যাকে খাদ বলা হয়। এখন ধানের বিভিন্ন বস্তা থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কুলোয় ঝেড়ে সেই খাদ বাদ দেওয়া হয়। এটি বেশ সময়সাপেক্ষ। তা নিয়ে মরশুম জুড়ে চাষিদের সঙ্গে অসন্তোষ লেগেই থাকে।’

এই ঝামেলা এড়াতে গ্রেন অ্যানালাইজ়ার নামক যন্ত্রের ব্যবহার বিভিন্ন রাজ্যে শুরু হয়েছে। পড়শি রাজ্য ওডিশাতেও এই যন্ত্র চালু হয়েছে। ১০০ গ্রাম ধান এই যন্ত্রে ফেললে তাতে কতটা ধুলো-মাটি রয়েছে দ্রুত জানা যাবে। এই পরীক্ষা চাষিদের চোখের সামনে হলে কারও কিছু বলার থাকবে না। পাশাপাশি ধান কেনার সময় পিছনোরও দাবি তুলেছে সংগঠন। প্রসঙ্গত, বর্তমানে ১ অক্টোবর থেকে পরের বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ধান কেনার সরকারি সময়সীমা রয়েছে। সংগঠনের বক্তব্য, বাস্তবে সেই কাজ শুরু হতে নভেম্বর মাস পড়ে যায়। সেই সময়ে সিংহভাগ চাষি ধান কাটার কাজ শুরুই করেন না। সেই সুযোগে ফড়েরা ধান বিক্রি করে।

ধান থেকে চাল প্রক্রিয়াকরণের ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের বকেয়া কমবেশি ৯০০ কোটি টাকা বরাদ্দের পাশাপাশি অন্য রাজ্যের সঙ্গে সাযুজ্য রেখে এই খরচ বাড়ানোর বিজ্ঞপ্তি জারি করারও দাবি তুলেছে সংগঠন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *