‘ঋতুপর্ণ থাকলে আজ সবচেয়ে খুশি হতেন’
সাক্ষাৎকার শেষে খোশ মেজাজে নিতি বলেন ‘ আজ বেগুন ভাজা ডাল আলুপোস্তো দিয়ে জমিয়ে খাওয়া দাওয়া হবে।’ ছবির সঙ্গীত পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। দীর্ঘদিন পর আবার বাংলা ছবিতে কাজ করতে পেরে তিনিও খুশি। তাঁর আশা, আগামী দিনে বাংলা সিনেমায় আরও ভালো কাজ হবে এবং নতুন প্রজন্মের নির্মাতারা আরও বেশি সুযোগ পাবেন নিজেদের মেধা তুলে ধরার। বাংলা সিনেমার প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে তিনি স্মরণ করেন বাংলার সেই সব কিংবদন্তি শিল্পীদের, যাঁদের অবদান ছাড়া ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাস অসম্পূর্ণ। সত্যজিৎ রায়, হৃষিকেশ মুখোপাধ্যায়, বিমল রায়, হেমন্ত মুখোপাধ্যায়, কিশোর কুমার, শচীন দেব বর্মণ, রাহুল দেব বর্মণ— একের পর এক নাম উচ্চারণ করে অনুপম খের বলেন, ভারতীয় সিনেমা বাংলার কাছে অনেক ঋণী। অভিনেতার কথায় যেন ধরা পড়ে তাঁর জীবনদর্শনও। তিনি বিশ্বাস করেন, কঠিন সময় স্থায়ী নয়। অন্ধকারের পর যেমন সকাল আসে, তেমনই প্রতিটি মানুষ চাইলে নতুন ভাবে শুরু করতে পারেন। আর সেই বিশ্বাসই যেন তাঁর নতুন বাংলা ছবির নামেও ধরা পড়েছে।
ছবি: অর্ণব চক্রবর্তী