CM Suvendu Adhikari: কলকাতায় আর ছুটে আসতে হবে না, উত্তরবঙ্গের মানুষের জন্য বড় সিদ্ধান্ত শুভেন্দুর | CM Suvendu Adhikari Pushes North Bengal Development, Orders Stronger Uttarkanya Administration
মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীImage Credit: TV9 Bangla
শিলিগুড়ি: উত্তরবঙ্গকে কখনও গুরুত্ব দেয়নি পূর্বতন তৃণমূল সরকার। বারবার এই অভিযোগ করেছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীও একাধিকবার তৃণমূলকে নিশানা করেছেন। শুক্রবার উত্তরবঙ্গ সফরে এসে ফের একবার পূর্বতন সরকারকে আক্রমণ করে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, উত্তরকন্য়ায় মুখ্যমন্ত্রীর শাখা সচিবালয় উত্তরবঙ্গের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে ব্যর্থ। এদিন সফরে এসে এ নিয়ে নিজের উষ্মা প্রকাশ করেন শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে বুঝিয়ে দেন, নতুন সরকার উত্তরবঙ্গের উন্নয়নের জন্য সবরকম পদক্ষেপ করবে।
রাজ্যের মুখ্যসচিবের কাছে এদিন মুখ্যমন্ত্রী জানতে চান, এই শাখা সচিবালয়ে কোন কোন দফতরের কর্তারা বসেন? মানুষকে কী কী পরিষেবা দেওয়া হয়? মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে তিনি বলেন, দ্রুত গুরুত্বপূর্ণ দফতরের যুগ্ম সচিবদের এখানে নিয়োগ করা হোক। উত্তরের মানুষকে যেন কলকাতা না যেতে হয়।
এদিন উত্তরকন্যায় ম্যারাথন প্রশাসনিক বৈঠক করেন শুভেন্দু। বৈঠকে তিনি বলেন, এখানে পাবলিক গ্রিভান্স সেল চালু করা হোক। যেখানে উত্তরের জেলাগুলির মানষ তাঁদের অভিযোগ জানাতে পারবেন। এদিন ওই প্রশাসনিক বৈঠক শেষে পর্যটন ও পরিষদীয় মন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ বলেন, উত্তরকন্যায় দ্রুত যুগ্ম সচিব পদমর্যাদার আধিকারিকদের নিয়োগ করা হবে।
অন্যদিকে বর্ষাকালীন পরিস্থিতি সামলাতে পাহাড়ে ৫০ অবসরপ্রাপ্ত সেনাকর্মীকে রাখা হবে। তাঁরা বিপর্যয় হলে ঝাঁপিয়ে পড়বেন বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানান শঙ্কর। এবার থেকে প্রতি পনেরো দিনে একবার শিলিগুড়ি আসবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন শঙ্কর বলেন, “উত্তরবঙ্গে এবার আমাদের উজাড় করে দেওয়ার পালা। নানা পদক্ষেপ করা হচ্ছে।”
এদিকে, গত ২১ জুন ময়নাগুড়িতে ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারের হাতে উত্তরকন্যায় রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে ক্ষতিপূরণের চেক তুলে দেন মুখ্যমন্ত্রী। ওই দুর্ঘটনায় ৬ জন মারা যান। মৃতদের পরিজনদের হাতে আর্থিক সাহায্য তুলে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এই দুর্ঘটনায় স্বজন হারানো পরিবারগুলোর অপূরণীয় ক্ষতি কোনওভাবেই পূরণ করা সম্ভব নয়। এই কঠিন সময়ে শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা রইল। রাজ্য সরকার সর্বদা প্রত্যেকটি পরিবারের পাশে রয়েছে।”