পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলানোর আর্জি ফারুখ-মেহবুবার! জঙ্গিদের সমর্থক আখ্যা বিজেপির - 24 Ghanta Bangla News
Home

পাকিস্তানের সঙ্গে হাত মেলানোর আর্জি ফারুখ-মেহবুবার! জঙ্গিদের সমর্থক আখ্যা বিজেপির

Spread the love

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে (Farooq Abdullah)সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়ে একটি খোলা চিঠি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান…

নয়াদিল্লি: অপারেশন সিঁদুরের পর ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে (Farooq Abdullah)সংলাপ ও কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনরুদ্ধারের আহ্বান জানিয়ে একটি খোলা চিঠি ঘিরে রাজনৈতিক বিতর্ক তীব্র হয়েছে। ন্যাশনাল কনফারেন্স প্রধান ফারুক আবদুল্লাহ, পিডিপি নেত্রী মেহবুবা মুফতি, আরজেডি নেতা মনোজ ঝা সহ ৫৮ জন বিরোধী নেতা ও ব্যক্তিত্ব এই চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন।

বিজেপি এই চিঠিকে তীব্র সমালোচনা করে স্বাক্ষরকারীদের ‘সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থক’ বলে উল্লেখ করেছে।চিঠিটি ‘সেন্টার ফর পিস অ্যান্ড প্রোগ্রেস’ নামে একটি সংস্থার পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফের কাছে পাঠানো হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, দুই দেশের মধ্যে সংলাপ ছাড়া কাশ্মীরসহ উপমহাদেশের শান্তি সম্ভব নয়।

আরও দেখুনঃ পুলিশ-CRPF যৌথ অপারেশনে গড়চিরোলিতে ধ্বংস মাও অস্ত্র কারখানা

অপারেশন সিঁদুরের এক বছর পরও যদি দুই দেশ কথা না বলে, তাহলে সন্ত্রাসবাদ কখনো শেষ হবে না বলে মত প্রকাশ করা হয়েছে। ফারুক আবদুল্লাহ সাংবাদিকদের বলেছেন, “সন্ত্রাসবাদ শেষ করতে হলে পাকিস্তানের সঙ্গে আলোচনা করতেই হবে।”অপারেশন সিঁদুর ছিল ২০২৫ সালের এপ্রিলে পহেলগাঁওয়ে জঙ্গি হামলার প্রত্যুত্তরে ভারতের সামরিক অভিযান। ভারতীয় সেনাবাহিনী ও বিমানবাহিনী পাকিস্তান ও পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে জঙ্গি ঘাঁটিতে নির্ভুল আঘাত হেনেছিল।

এই অভিযানে ভারতের সেনা সদস্যরাও শহিদ হয়েছেন। দেশজুড়ে এই অভিযানকে সাহসী ও সফল বলে অভিনন্দন জানানো হয়। এমন সময়ে সংলাপের আহ্বান অনেকের কাছে অসময়োপযোগী মনে হয়েছে।বিজেপি নেতারা তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। দলের মুখপাত্ররা বলেছেন, “যারা পাকিস্তানের সঙ্গে কথা বলার জন্য এত তাড়াহুড়ো করছেন, তারা আসলে সন্ত্রাসবাদীদের সমর্থক।”

তাঁরা অভিযোগ করেন, অপারেশন সিঁদুরের মতো সফল অভিযানের পরও কিছু নেতা পাকিস্তানকে সান্ত্বনা দিতে চাইছেন।স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী অমিত শাহ বলেছেন, “ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। যারা এই নীতিকে দুর্বল করতে চায়, তারা দেশের স্বার্থের বিরোধী।”বিরোধী নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, শান্তি ছাড়া উন্নয়ন সম্ভব নয়। মেহবুবা মুফতি বলেছেন, “যুদ্ধের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সংলাপই একমাত্র পথ।”

মনোজ ঝা জানিয়েছেন, “দুই দেশের জনগণ শান্তি চায়। রাজনৈতিক নেতৃত্বের উচিত সেই আশা পূরণ করা।” কিন্তু কূটনীতিক মহলের মতে পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদীদের আশ্রয় দিলে কোন সংলাপ সম্ভব? তাঁরা উল্লেখ করেন, অতীতেও সংলাপের পর জঙ্গি হামলা বেড়েছে।এই বিতর্ক জম্মু-কাশ্মীরের রাজনীতিতে নতুন মাত্রা যোগ করেছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *