Hilsa Fish: পুকুরে জাল ফেললেই উঠবে ইলিশ, বিরাট গবেষণা বাংলায়, বিশ্বজুড়ে নজির গড়বে কাকদ্বীপ | Kakdwaip of west bengal scientist are cultivate Hilsa fish in pond - 24 Ghanta Bangla News
Home

Hilsa Fish: পুকুরে জাল ফেললেই উঠবে ইলিশ, বিরাট গবেষণা বাংলায়, বিশ্বজুড়ে নজির গড়বে কাকদ্বীপ | Kakdwaip of west bengal scientist are cultivate Hilsa fish in pond

Spread the love

ইলিশ মাছের চাষ পুকুরেImage Credit: Tv9 Bangla and Majority World/Universal Images Group via Getty Images

কাকদ্বীপ: বাঙালি আর ইলিশ মাছ (Hilsa Fish) একে অপরের পরিপূরক। বর্ষাকাল এলে বাঙালির পাতে ইলিশ থাকবে এমনটা হয় না। কিন্তু ভাল সুস্বাদু ইলিশের জন্য অপেক্ষা করে বসে থাকতে বর্ষার জন্য। কিন্তু সারা বছরই যদি এই মাছ পাওয়া যায় কেমন হয়? সেই লক্ষ্যেই পুকুরে ইলিশ চাষ নিয়ে চলছে গবেষণা। ইতিমধ্যেই পুকুরে ইলিশ চাষের জন্য পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত সাফল্য মিলেছে। এবারে শেষ অর্থাৎ ষষ্ঠ ধাপের গবেষণা শুরু করল কাকদ্বীপের কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থা ((ICAR-Central Institute of Brackishwater Aquaculture বা CIBA)।আর এই ধাপের গবেষণায় সাফল্য পেলেই, আগামী দিনে ব্যক্তিগত পুকুর গুলিতেও ইলিশ মাছ চাষ করা সম্ভব হবে। শুধু তাই নয়, বাজারেও কিনতে পাওয়া যাবে পুকুরের ইলিশ।

তবে, পুকুরে ইলিশ চাষের শুরু আজ থেকে নয়। দশ বছর আগে থেকে কাকদ্বীপের মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রের বিজ্ঞানীরা নানা পরীক্ষা চালিয়েছেন। পঞ্চম ধাপ পর্যন্ত সেই সাফল্য এসেছে। গবেষণা থেকে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত ৯৮২ গ্রামের ইলিশ পুকুরে চাষ করা গেছে। তবে সাফল্য আসবে তখনই যদি ডিম থেকে পোনা ফোটানো সম্ভব হয়। আর এই প্রক্রিয়াতেই সাফল্য পেতে শেষ ধাপের গবেষণা চলছে।

পঞ্চম অর্থাৎ শেষ ধাপের গবেষণায় সাফল্য আনতে মৎস্য গবেষণা কেন্দ্রে অত্যাধুনিক স্যালিনিটি গ্রেডিয়েন্ট রিসার্কুলেটরি অ্যাকুয়াকালচার সিস্টেমের (আরএএস) উদ্বোধন করা হয়। শনিবার এটির উদ্বোধন করেন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী দীপঙ্কর জানা। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন আইসিএআর -সিবার অধিকর্তা ডঃ কুলদীপ কে লাল ও কাকদ্বীপ গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান ডঃ দেবাশীষ দে। প্রায় ৬০ লক্ষ টাকা ব্যয়ে নতুন গবেষণার প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় নোনা জলজীব পালন অনুসন্ধান সংস্থার কাকদ্বীপ শাখার অধ্যক্ষ ও ইলিশ গবেষণার মুখ্য বিজ্ঞানী ডক্টর দেবাশীষ দে বলেন, “পরিবেশগতভাবে বিভিন্ন পদ্ধতিকে কাজে লাগিয়ে পুরো প্রকল্পটি নির্মাণ করা হয়েছে। তিনটি পাতকুয়ায় তিন রকমের জল রাখা রয়েছে। সেই জলকে বৈদ্যুতিক পাম্পের মাধ্যমে ঘূর্ণিজল করা হয়েছে। এছাড়াও ওই জলের উষ্ণতা,দূষণ ও স্রোতকে নিয়ন্ত্রণ করে ইলিশের পোনা ছাড়া হয়েছে। এই গবেষণার ক্ষেত্রে প্রায় এক বছর নজরদারি চালাতে হবে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *