ছেলে জেলে! বিজেপি নেতার পায়ে পড়লেন দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল নেতার মা
কলকাতা: বনগাঁর বৈরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। (Santu Mondal)সেখানকারই দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূলের নেতা ছিলেন সন্তু মন্ডল। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতি এবং ২০২১ র ভোট পরবর্তী হিংসার বিরুদ্ধে…
কলকাতা: বনগাঁর বৈরামপুর গ্রাম পঞ্চায়েত। (Santu Mondal)সেখানকারই দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূলের নেতা ছিলেন সন্তু মন্ডল। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর দুর্নীতি এবং ২০২১ র ভোট পরবর্তী হিংসার বিরুদ্ধে অ্যাকশন নিতে শুরু করে বাংলার গেরুয়া সরকার। সেই দুর্নীতির অভিযোগে গ্রেফতার হন সন্তু। সোশ্যাল মিডিয়ার ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস নেতা সন্তু মণ্ডলের মা ছেলেকে জেলের হাত থেকে বাঁচাতে বিজেপি নেতার পায়ে পড়ে আকুতি জানিয়েছেন।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সন্তু মণ্ডলের বিরুদ্ধে একাধিক মামলা রয়েছে। পুলিশের তদন্ত চলছে এবং তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে সন্তু মণ্ডলের বৃদ্ধা মা ছেলেকে বাঁচানোর জন্য বিজেপি নেতার কাছে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং রীতিমত তার পা জড়িয়ে ধরেন। এই মর্মস্পর্শী দৃশ্য ভিডিও আকারে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ায় এলাকাজুড়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
তবে এই আকুতির পাশাপাশি ২০২১ সালের ঘটনাগুলো নতুন করে সামনে এসেছে। অভিযোগ রয়েছে, সেই সময় সন্তু মণ্ডলের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়েছিল। কয়েকজন বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বাড়িছাড়া করা হয় বলে দাবি করা হয়। এছাড়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগও উঠেছিল সন্তু মণ্ডলের বিরুদ্ধে। স্থানীয় বিজেপি কর্মীরা বলছেন, “যখন তাঁরা ক্ষমতায় ছিলেন, তখন আমাদের উপর অত্যাচার করেছেন, এখন বিপদে পড়ে মায়ের দিয়ে ক্ষমা চাইছেন।”
সন্তু মণ্ডলের সমর্থকরা অবশ্য এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তাঁরা দাবি করেন, সন্তু মণ্ডলকে রাজনৈতিকভাবে হয়রানি করা হচ্ছে। তৃণমূলের একাংশ জানিয়েছে, বিরোধীদের চাপে পড়ে এলাকার শান্তি নষ্ট করার চেষ্টা চলছে। অন্যদিকে বিজেপি নেতৃত্ব বলছে, আইন নিজের গতিতে চলবে। কোনো অপরাধীকে ছাড় দেওয়া হবে না।