Jaynagar News: প্যান্ট খুলিয়ে ঝোলানো হয় উল্টো করে, তারপর ১১ বছরের নাবালকের সঙ্গে যা করলেন ৫০এর ব্যক্তি শিউরে উঠবেন, অথচ সেটাই হা হা হেসে মজা লুঠছেন তাঁর বউ! | Jaynagar Horror: 11 Year Old Boy Hung Upside Down, Brutally Tortured - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jaynagar News: প্যান্ট খুলিয়ে ঝোলানো হয় উল্টো করে, তারপর ১১ বছরের নাবালকের সঙ্গে যা করলেন ৫০এর ব্যক্তি শিউরে উঠবেন, অথচ সেটাই হা হা হেসে মজা লুঠছেন তাঁর বউ! | Jaynagar Horror: 11 Year Old Boy Hung Upside Down, Brutally Tortured

Spread the love

দক্ষিণ ২৪ পরগনা:  নগ্ন শরীর, পায়ে দড়ি বেঁধে উল্টো করে ঝোলানো। চলছে মারধর। ১১ বছরের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে দেওয়া হল নির্মম ‘উচিত শিক্ষা’। সম্প্রতি একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে। তাতে দেখা যাচ্ছে, একেবারে আইন হাতে তুলে নিয়ে ১১ বছরের স্কুল পড়ুয়া ছাত্রকে নির্মমভাবে মারধর করছেন এক ব্যক্তি। পায়ে দড়ি বেঁধে ঘরের মধ্যে থাকা আড় কাঠের সঙ্গে উল্টে ঝুলিয়ে, তাকে নগ্ন করে মারধর করা হচ্ছে। ভিডিয়ো প্রকাশ্যে আসতেই শুরু হয় তদন্ত। জানা যায়, ঘটনাটি জয়নগর থানার ধোষা- চন্দনেশ্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের পূর্ব চন্দনেশ্বর গ্রামের। দিন কয়েক আগে ঘটনাটি ঘটেছে।

১১ বছরের শিশুর উপর নৃশংস ও অমানবিক অত্যাচারের অভিযোগকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে ওই এলাকায়। অভিযোগের তির স্থানীয় বাসিন্দা তপন হালদারের বিরুদ্ধে। ঘটনার পরই তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। কিন্তু ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত পলাতক। পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, কয়েকদিন আগে এলাকার কয়েকজন শিশুর সঙ্গে খেলাধুলা করছিল জয় শিকারি নামের ১১ বছরের পঞ্চম শ্রেণির পাঠরত ছাত্রটি। সেই সময় রাস্তা দিয়ে যাচ্ছিল অভিযুক্ত তপন হালদার।

সেই সময় অন্যান্য বালকদের মধ্যে ঠেলাঠেলি হলে ওই বালকটির হাতের থাকা একটি লাঠি দিয়ে লাগে তপন হালদারের গায়ে। এরপরই ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে তপন হালদার। অভিযোগ, সে শিশুটির চুলের মুঠি ধরে টানতে টানতে বেশ কিছু দূর নিয়ে যায় এবং প্রকাশ্যেই তাকে কান ধরে উঠবস করায়। কিন্তু তাতেও থামেনি অভিযুক্ত। শিশুর পরিবারের দাবি, এরপর শিশুটিকে নিজের বাড়িতে নিয়ে গিয়ে তার পায়ে দড়ি বেঁধে আড়কাঠে উল্টে ঝুলিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। খুলে ফেলা হয় তার পরনের প্যান্ট।

শুধু তপন হালদার নয় সেই সময়ে ঘটনাস্থলে ছিল তার স্ত্রী এবং তাঁর পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা এবং প্রতিবেশীরাও। এমনকি অত্যাচারের সেই মুহূর্তের ভিডিয়ো মোবাইলে রেকর্ড করে রাখা হয় এবং বিষয়টি কাউকে জানালে ক্ষতি করার হুমকিও দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। ভয়ে রাতে বাড়িতে ফিরে প্রথমে কাউকে কিছু জানায়নি শিশুটি। তবে তার শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন দেখে পরিবারের সন্দেহ হয়। বারবার জিজ্ঞাসা করলেও সে মুখ খোলেনি।পরে পরিবারের এক সদস্য অভিযুক্তদের মোবাইলে তোলা সেই ভিডিয়ো দেখতে পাওয়ার পর গোটা ঘটনার বিষয়টি সামনে আসে।

এরপর শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য স্থানীয় হাসপাতাল ঘুরে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে য়াওয়া হয়।তার মাথার সিটি স্ক্যান এবং বুকের এক্স-রে পর্যন্ত করাতে হয়েছে।এখনও শারীরিকভাবে সুস্থ হয়ে উঠতে পারেনি সে। শরীরের বিভিন্ন স্থানে ব্যথা থাকায় স্কুলেও যেতে পারছে না। ঘটনার পর প্রথমে জয়নগর থানার অধীনে থাকা স্থানীয় ধোষা পুলিশ ক্যাম্পে জানানো হয়। পরবর্তী সময়ে জয়নগর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। কিন্তু অভিযোগের পরও এখনও পর্যন্ত অভিযুক্ত তপন হালদার ও তার পরিবারের সদস্যদেরকে গ্রেফতার করেনি পুলিশ। তা নিয়েই ক্ষুব্ধ শিশুর পরিবারের লোকজন। ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত তপন হালদার এলাকা ছেড়ে গা-ঢাকা দিয়েছে। বাড়িতে ঝুলছে তালা। এখন সকলের নজর পুলিশের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে।

নিগৃহীত নাবালকের মা বলেন, “আমার ছেলেটার ওপর যে ধরনের অত্যাচার করা করেছে, আমি এখনও কোনও বিচার পাইনি। আমি চাই ওকেও এরকম উল্টো ঝুলিয়ে মারা হোক। কিন্তু থানায় জানাতে পারছি না। ওদের বাড়ির লোক হুমকি দিয়ে ছাড়িয়ে নিয়ে যায়।”

অভিযুক্ত ঘটনার পর থেকে পলাতক। তাঁর বৌদি বলেন, “আমরা কেউই সমর্থন করছি না এই ঘটনা। পাশের বাড়িতে ছিলাম, ওই বাড়িতে যে এরকম কিছু ঘটছে, জানতে পারলে তখনই থামাতাম। অভিযুক্তের তো শাস্তি পাওয়া দরকার।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *