শাড়ি, মনোহরা, জলভরা ও নৌকা, GI ট্যাগ পেয়ে চমক হুগলির কোন কোন জায়গার?
বলাগড় নৌ শিল্প সমেতির সম্পাদক উৎপল বারিক বলেন, ‘জিআই পাওয়ায় ফলে ভারতবর্ষের মানচিত্রে একটা জায়গা পেলাম তাতে আমরা খুশি। কিন্তু আর্থিকভাবে কতটা লাভবান হলাম বলতে পারব না। আমাদের নৌকা প্রধানত ব্যবহার করেন মৎস্যজীবীরা। তাঁরা আর্থিকভাবে দুর্বল। সেই কারণে আমরাও উপযুক্ত দাম পাচ্ছি না।’
মনোহরা যাতে জিআই ট্যাগ পায় তার জন্য চণ্ডীতলার জনাইয়ের দশ জন আবেদন করেছিলেন। তার মধ্যেই একজন স্বপন দাস। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ দিন ধরে আমরা চেষ্টা করছিলাম।’ তিনি জানাচ্ছেন, জমিদার আমলে সন্দেশের স্থায়িত্ব বাড়াতে মিষ্টির উপর চিনি বা গুড়ের কোটিং দেওয়া শুরু হয়েছিল।
বলাগড়ের বিধায়ক তথা রাজ্যের মন্ত্রী সুমনা সরকার বলেন, ‘নৌ শিল্পীদের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল, সেটা পূরণ হল। বিজেপি সরকার কথা দিয়ে কথা রেখেছে। মানুষ ভরসা করেছেন, এর জন্য আমরা গর্বিত। ধন্যবাদ জানাই মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রধানমন্ত্রীকে।’