ব্যতিক্রমী আলোচনাসভার সাক্ষী বহরমপুর, ছিলেন মন্ত্রী-বিধায়ক গৌরীশঙ্কর ঘোষ
একের পর এক প্রশ্নের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী গৌরীশঙ্কর ঘোষ বলিষ্ঠ ভাবে সরকারের সংক্ষিপ্ত কার্যকালে প্রকাশিত পদক্ষেপগুলি প্রাঞ্জল ভাষায় ব্যাখ্যা করেন। সায়ন্তন বসুর কথায় উঠে এসেছে ইতিহাসের বিকল্প ধারণা। সুদীপ্ত গুহ তুলে ধরেন মোড়গ্রাম থেকে উত্তর ভারত, নেপাল, ভুটান, অসম-সহ বিভিন্ন এলাকার সঙ্গে কলকাতা বন্দরের পরিকল্পনা এবং মুর্শিদাবাদের অর্থনৈতিক সম্ভাবনার অন্যান্য দিকগুলো। বাকি আলোচনাকার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি, ধর্মান্তরকরণ ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক অবস্থান ব্যাখ্যা করেন। নির্দিষ্ট সময় অতিক্রম করার পরে বাড়তি এক ঘণ্টা চলে ওই মনোজ্ঞ আলোচনাসভা। তবে অনুষ্ঠানের শেষের তিন ঘণ্টা প্রশ্নোত্তর পর্বকে ঘিরে তুঙ্গে উঠেছিল আলোচনাসভা, যা দর্শক ও শ্রোতাদের আনন্দ দিয়েছে।