পায়ে পায়রাইট পরলে কী হতে পারে?
জ্যোতিষ ও রত্নশাস্ত্রে নবগ্রহের প্রতিকারের জন্য জন্য বিভিন্ন রত্নের ব্যবহারের উল্লেখ পাওয়া যায়। পায়রাইট (Pyrite) তেমনই একটি জনপ্রিয় রত্ন। যা সৌভাগ্য, অর্থলাভ এবং ইতিবাচক শক্তি আকর্ষণের প্রতীক হিসেবে পরিচিত। বর্তমানে পায়রাইটের ব্রেসলেট, আংটি, পেনডেন্টের পাশাপাশি নূপুরের ব্যবহার বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। অনেকেই এটিকে সম্পদ, আত্মবিশ্বাস এবং সাফল্যের প্রতীক ভেবে ব্যবহারও করছেন। তবে জ্যোতিষশাস্ত্র কিন্তু বলছে, সবার জন্য এই পাথর সমান ভাবে শুভ নয়।
‘ফুলস গোল্ড’ বলে পরিচিত কেন?
পায়রাইট দেখতে অনেকটা সোনার মতো চকচকে হওয়ায় একে ‘ফুলস গোল্ড’ বা ‘বোকাদের সোনাও’ বলা হয়। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, এই পাথর সূর্য ও মঙ্গল গ্রহের শক্তির প্রতিনিধি। তাই এটি পরার আগে নিজের রাশি এবং কোষ্ঠীতে সূর্য ও মঙ্গলের অবস্থান সম্পর্কে জানা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ ছাড়া পায়রাইট বা অন্য কোনও রত্ন ধারণ করলে প্রত্যাশিত ফল নাও মিলতে পারে।
কোন রাশির জন্য শুভ?
জ্যোতিষ মতে, মেষ, সিংহ এবং বৃশ্চিক রাশির জাতকদের জন্য পায়রাইট বিশেষ ভাবে শুভ বলে বিবেচিত হয়। বিশেষ করে যাঁদের কোষ্ঠীতে সূর্য বা মঙ্গল দুর্বল অবস্থায় রয়েছে, তাঁদের জন্য এই পাথর উপকারী হতে পারে।
প্রচলিত বিশ্বাস, পায়রাইট ধারণ করলে আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি পায়, কর্মজীবনে উন্নতি আসে এবং অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি লাভের সম্ভাবনা তৈরি হয়। চাকরি, ব্যবসা বা প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জনের লক্ষ্য থাকলে এই রাশির অনেকেই এর সুফল পেতে পারেন।
কারা এড়িয়ে চলবেন?
বৃষ, কর্কট এবং মকর রাশির জাতকদের পায়রাইট পরতে নিষেধ করা হয়। এছাড়া যাঁদের কোষ্ঠীতে সূর্য ও মঙ্গল আগে থেকেই শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে, তাঁদেরও এই পাথর না পরার পরামর্শ দেওয়া হয়।
জ্যোতিষ মতে, এমন ক্ষেত্রে পায়রাইটের অতিরিক্ত শক্তি রাগ, আক্রমণাত্মক মনোভাব, মানসিক চাপ, অস্থিরতা এবং রক্তচাপ বৃদ্ধির কারণ হতে পারে। ফলে উপকারের পরিবর্তে ক্ষতির সম্ভাবনা তৈরি হয়।