একাই গড়েছেন দল, নেই ক্লাব, এক ম্যাচে ১৫ সেভ করে নায়ক কুরাসাওয়ের গোলকিপার
ছোট্ট দ্বীপ থেকে বিশ্বকাপের মঞ্চে
মাত্র দেড় লাখ জনসংখ্যার দেশ কুরাসাও ২০১১ সালে ফিফার সদস্যপদ পায়। সেই সময় থেকেই আন্তর্জাতিক ফুটবলে নিজেদের পরিচয় গড়ে তোলার লড়াই শুরু হয়। সেই পথচলার অন্যতম অগ্রদূত এলয় রুম।
নেদারল্যান্ডসের বয়সভিত্তিক দলে খেলার সুযোগ পেলেও সিনিয়র জাতীয় দলে ডাক না পেয়ে ২০১৫ সালে কুরাসাওয়ের হয়ে খেলার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। সে সময় দলের কোচ ছিলেন নেদারল্যান্ডসের প্রাক্তন তারকা প্যাট্রিক ক্লুইভার্ট। ব্যক্তিগতভাবে রুমকে ফোন করে দলে যোগ দেওয়ার অনুরোধ করেছিলেন তিনি।
রুম শুধু নিজে দলে যোগ দেননি, বরং ইউরোপে খেলা কুরাসাও বংশোদ্ভূত ফুটবলারদেরও জাতীয় দলে আসতে উৎসাহিত করেছেন। তাঁর প্রচেষ্টায় ধীরে ধীরে শক্তিশালী হতে থাকে কুরাসাও।
ক্লাবহীন থেকেও হার মানেননি
বিশ্বকাপ বাছাইপর্বের শেষ দিকে এলয় রুমের ক্লাবও ছিল না। ডাচ ক্লাব ভিটেসের আর্থিক সংকট এবং পরে বেলজিয়ামের সের্কল ব্রুজে স্বল্প সময় কাটানোর পর তিনি কার্যত বেকার হয়ে পড়েন। কিন্তু থেমে যাননি।
জিমে ব্যক্তিগত প্রশিক্ষণ, আলাদা গোলকিপার কোচের তত্ত্বাবধান এবং ফিটনেস ধরে রাখতে নিয়মিত প্যাডেল খেলে নিজেকে প্রস্তুত রেখেছিলেন তিনি। সেই কঠোর পরিশ্রমের ফলই মিলেছে বিশ্বকাপের মঞ্চে।