Astrology on Ghost Sightings: জন্মছকে এটা থাকলে ভূত দেখতে পাবেনই! | Real or Illusion: The Science and Astrology Behind Paranormal Experiences - 24 Ghanta Bangla News
Home

Astrology on Ghost Sightings: জন্মছকে এটা থাকলে ভূত দেখতে পাবেনই! | Real or Illusion: The Science and Astrology Behind Paranormal Experiences

Spread the love

কী বলছেন জ্যোতিষবিদরা?Image Credit: Gemini Ai

অলৌকিক কিংবা অতিলৌকিক দুনিয়া নিয়ে মানুষের মনে প্রশ্নের শেষ নেই। মাঝরাতে আচমকা ঘরের তাপমাত্রা কমে যাওয়া কিংবা পিঠের ওপর কারও ঠান্ডা নিঃশ্বাসের স্পর্শ পাওয়ার দাবি অনেকেই করে থাকেন। আধুনিক বিজ্ঞান অবশ্য এই ধরনের ঘটনাকে স্রেফ অবাস্তব বা হ্যালুসিনেশন বলে উড়িয়ে দেয়। কিন্তু সনাতন শাস্ত্র এবং জ্যোতিষশাস্ত্রে এই রহস্যময় অনুভূতির পেছনে নির্দিষ্ট কিছু কারণের উল্লেখ রয়েছে। সবার ষষ্ঠেন্দ্রিয় সমানভাবে সক্রিয় থাকে না, তাই এই অলৌকিক অভিজ্ঞতার মুখোমুখি সবাই হন না। শাস্ত্রমতে, বিশেষ কিছু মানুষ তাঁদের জন্মকুণ্ডলীর গ্রহের ফেরে এই অশরীরী জগতের খুব কাছাকাছি চলেন যান।

সনাতন শাস্ত্রের ব্যাখ্যা অনুযায়ী, মৃত্যুর পর আত্মার তিনটি রূপ হতে পারে, জীবাত্মা, প্রেতাত্মা এবং সূক্ষ্মাত্মা। জীবিত শরীরে যা থাকে, তা হল জীবাত্মা। তবে কোনও ব্যক্তি যদি তীব্র ক্ষোভ, অপূর্ণ কামনা বা বাসনা নিয়ে মারা যান, তবে সেই আত্মা প্রেতাত্মার রূপ নেয়। বিশেষ করে দুর্ঘটনা, হত্যা কিংবা আত্মহত্যার মতো অকালমৃত্যুর শিকার হওয়া আত্মারা সহজে মুক্তি পায় না। মুক্তি না পাওয়া পর্যন্ত তারা স্থূল ও সূক্ষ্ম শরীরের টানাপোড়েনে এই পৃথিবীতেই ঘুরে বেড়ায় এবং কিছু নির্দিষ্ট মানুষের সামনে তাদের উপস্থিতি প্রকাশ পায়।

জ্যোতিষশাস্ত্রের নিরিখে এই অশরীরী অনুভূতির পেছনে মূল কারিগর হল রাহু। জাতকের কোষ্ঠীতে রাহুর অবস্থান এই অতিলৌকিক ঘটনার জন্য বহুলাংশে দায়ী। যদি কারও কোষ্ঠীর লগ্ন স্থান কিংবা অষ্টম স্থানে রাহু অবস্থান করে এবং তার ওপর অন্য কোনও ক্রূর গ্রহের দৃষ্টি পড়ে, তবে সেই ব্যক্তির অশরীরী শক্তির মুখোমুখি হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল ভাবে বেড়ে যায়। এঁরা খুব সহজেই নিজেদের চারপাশে এক অদ্ভুত এবং রহস্যময় শক্তির উপস্থিতি টের পান।

এর পাশাপাশি, জ্যোতিষ অনুযায়ী যাঁদের জন্ম ‘রাক্ষসগণ’-এ, তাঁদের ষষ্ঠেন্দ্রিয় অত্যন্ত তীব্র হয়। ফলে কোনও নেতিবাচক বা ভৌতিক শক্তি আশেপাশে থাকলে এঁরা তৎক্ষণাৎ তা বুঝতে পারেন। শুধু গ্রহের অবস্থানই নয়, যাঁদের মানসিক শক্তি দুর্বল, যাঁরা সারাক্ষণ ভয়ের কথা চিন্তা করেন বা অত্যন্ত আবেগপ্রবণ, তাঁদের মনকে এই শক্তিগুলি সহজেই প্রভাবিত করতে পারে। আবার অমাবস্যা বা পূর্ণিমার মতো তিথিতে যাঁরা রাত জেগে নিষিদ্ধ বা নেতিবাচক কাজে লিপ্ত হন, তাঁদের ওপরও এই কুপ্রভাব দ্রুত পড়ে। তাই মাঝরাতে হঠাৎ গা ছমছম করে উঠলে তা স্রেফ মনের ভুল নাও হতে পারে, হয়তো আপনার কোষ্ঠীর রাহুর ইশারাতেই দেখছেন অন্য জগতের আলো-ছায়া!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *