Jagannath Chattopadhyay: 'সামান্য দুটি শব্দ বলেছি অমনি গুঁতিয়ে দিছেন, আমি বীরভূমের ছেলে...', হুঙ্কার নিয়ে বিতর্কের মধ্য়েই আবারও বললেন জগন্নাথ | Higher Education Minister Jagannath Chattopadhyay Clarifies Remark Syanta Garom - 24 Ghanta Bangla News
Home

Jagannath Chattopadhyay: ‘সামান্য দুটি শব্দ বলেছি অমনি গুঁতিয়ে দিছেন, আমি বীরভূমের ছেলে…’, হুঙ্কার নিয়ে বিতর্কের মধ্য়েই আবারও বললেন জগন্নাথ | Higher Education Minister Jagannath Chattopadhyay Clarifies Remark Syanta Garom

Spread the love

জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়, উচ্চ শিক্ষামন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: একটা সময়ে কলমের খোঁচায় সংবাদপত্রে ঝড় তুলতেন। কাট টু। তিনি এখন রাজ্যের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী। কিন্তু তাঁর বলা একটি শব্দ আবার ঝড় তুলেছে সাম্প্রতি প্রেক্ষাপটে। TV9 বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের বিশেষ সাক্ষাৎকারে এসে বলেছিলেন ‘স্যাঁটা গরম করে দেবেন।’ মূলত নি শিক্ষায় দুর্নীতি রোখার প্রশ্নে ‘স্যাঁটা গরম’ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন। উচ্চশিক্ষা মন্ত্রীর মুখে এহেন শব্দে বিতর্ক তুঙ্গে উঠেছে।  এবার সামাজিক মাধ্যমে তার ব্যাখ্যা দিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়।

স্যাঁটা কাকে বলে? তার বাড়ি কোথায়? কেন তিনি এই শব্দ প্রয়োগ করতে এতটুকুও কুন্ঠাবোধ করলেন না, তার ব্যাখ্যা দিলেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে জগন্নাথ লিখলেন, “আমার ভাষা, আমার গর্ব। আমি বীরভূমের আঞ্চলিক ভাষাতেই কথা বলব।” তাঁর ব্যাখ্যা, “আমি বীরভূমের ছেলে। নিজের ভাষাতেই কথা বলব। তাতে কারও পছন্দ হোক বা না হোক, বীরভূমের ভাষায় কথা বলা বন্ধ হবে না। আমি যে জেলার মানুষ, সেই জেলার কিছু শব্দ আমার মুখে আসতেই পারে। মানুষের কী বলা উচিত, কী খাওয়া উচিত, কী পরা উচিত তা নির্ধারণ করার অধিকার কারও নেই। তাহলে আমার ভাষা নিয়ে এত আপত্তি কেন?”

নিজের আঞ্চলিক ভাষার সমর্থনে তিনি এটাও বলেছেন, “সামান্য দুটি শব্দ বলেছি অমনি গুঁতিয়ে দিছেন, খেদিয়ে দিছেন। এ মানব না। আপনাদের কথা ভবিষ্যতেও লড়ব। এখনও লড়ছি। আমি যে জেলার সেই জেলার দুটো একটো কথা মুখ দিয়ে বেরবে।”

পূর্বতন সরকারে কলেজে ভর্তির ক্ষেত্রে একাধিক বেনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। দেদার তোলাবাজি নিয়ে সরব ছিলেন বিরোধীরা। সেই নিয়ে কথা বলতে গিয়েই জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায় এই ‘শব্দবন্ধ’ ব্যবহার করেছিলেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *