Cough Syrup Rules: ‘অনলাইনে তো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই…’ সিরাপ বিক্রিতে বিধিনিষেধ নিয়ে কী বলছেন ওষুধের দোকানদাররা? | Union Ministry imposed restrictions on the sale of cough syrup, What What do the pharmacy owners saying - 24 Ghanta Bangla News
Home

Cough Syrup Rules: ‘অনলাইনে তো প্রেসক্রিপশন ছাড়াই…’ সিরাপ বিক্রিতে বিধিনিষেধ নিয়ে কী বলছেন ওষুধের দোকানদাররা? | Union Ministry imposed restrictions on the sale of cough syrup, What What do the pharmacy owners saying

Spread the love

বাঁকুড়া: চিকিৎসকের প্রেসক্রিপশন ছাড়া সব ধরনের সিরাপ বিক্রিতে এবার বিধিনিষেধ জারি করেছে কেন্দ্র। আর এতেই মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেল খুচরো ওষুধ ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ থেকে শুরু চিকিৎসক সংগঠনের মধ্যে। প্রেসক্রিপশান ছাড়া সর্দি-কাশির সিরাপ বিক্রির ক্ষেত্রে আগে থেকেই বিধিনিষেধ ছিল স্বাস্থ্য দফতরের। এবার সব ধরনের সিরাপের ক্ষেত্রেই লাগু হল একই নিয়ম। রীতিমতো গেজেট বিজ্ঞপ্তি দিয়ে কেন্দ্রের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে কোনও অবস্থাতেই প্রেসক্রিপশান ছাড়া কোনও ধরনের সিরাপই বিক্রি করতে পারবেন না খুচরো ওষুধ বিক্রেতারা। 

খুচরো ওষুধ বিক্রেতা থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের অনেকের দাবি, এ রাজ্যে বহু প্রান্তিক জায়গা রয়েছে যেখানে চিকিৎসকদের সহজে দেখা মেলে না। তাই ছোটখাটো অসুখের ক্ষেত্রে এতদিন তাঁরা নিকটবর্তী ওষুধের দোকানদার বা ওষুধ দোকানের ফার্মাসিস্টের কাছে অসুখের বিবরণ দিয়ে অন্যান্য ওষুধের পাশাপাশি সিরাপ কিনে খেতেন। নতুন নিয়ম কার্যকর হলে সেক্ষেত্রে তাঁদের ছুটতে হবে দূরের হাসপাতাল বা চিকিৎসকের কাছে। 

খুচরো ওষুধ বিক্রেতা সুশান্ত পাত্র বলছেন, “এতে সাধারণ মানুষের সমস্যা হবে। অফলাইনে আমাদের এটা বলা হলেও অনলাইনে কিন্তু প্রেসক্রিপশন ছাড়া ওরা ওষুধ পাঠাচ্ছে। কিন্তু দোকানে আমাদের ফার্মাসিস্ট থাকে। আমাদের থেকে ওষুধ নিয়ে গেলে পরে কোনও সমস্যা হলে এসে বলার সুযোগ থাকে। কিন্তু অনলাইনে সেটা হয় না। আমার মনে হয় আগামীতে সরকারের এটা দেখা উচিত।”  

এক ক্রেতা বলছেন, “অনেক ইমারজেন্সির সময় তো ওষুধের দোকান থেকে বলে নিয়ে নেওয়া যায়। এখন যদি কারও সর্দি হলেও ডাক্তারের কাছে গিয়ে লিখিয়ে তারপর ওষুধ কিনতে হলে একটু অসুবিধা তো হবেই।” 

ওষুধের দোকানকার থেকে সাধারণ মানুষের অনেকে সমস্যার কথা বললেও চিকিৎসক সংগঠনের দাবি শুধু সিরাপ নয়, হাতেবগোনা কয়েকটি ওষুধ ছাড়া বাকি সমস্ত ওষুধের ক্ষেত্রে সরকারি এই সিদ্ধান্ত আগে থেকেই বলবৎ রয়েছে। 

চিকিৎসক সংগঠনের নেতা সজল বিশ্বাস বলছেন, নজরদারির অভাবে যথাযথভাবে নিয়ম কার্যকর হচ্ছিল না। এর ফলে প্রচুর জাল ও ভেজাল ওষুধ বিক্রি হতো। সিরাপের ক্ষেত্রে তার সম্ভাবনা আরও বেশি ছিল। তাছাড়া নেশার সামগ্রী হিসাবে সিরাপ পাচারের মতো সমস্যাও বারেবারে উঠে এসেছে। সেক্ষেত্রে এই বিধিনিষেধ নতুন করে কার্যকর হলে ক্ষতির তুলনায় আরও বেশি করে লাভবান হবেন সাধারণ মানুষ। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *