Behala Airport: কলকাতায় দ্বিতীয় বিমানবন্দর! মাত্র ৮ কিমি দূরেই শুরু হয়ে গেল সার্ভে, চিঠি গেল দিল্লিতে | Second airport in kolkata behala may open soon as survey work started by minister
কলকাতা: কলকাতাতেই আরও এক বিমানবন্দর! সংস্কারের অভাবে দীর্ঘদিন ধরে পড়ে থাকার পর অবশেষে দেখা যাচ্ছে আশার আলো। পালাবদলের রাজ্যে শিল্প গুরুত্ব পেতেই কলকাতার ওই দ্বিতীয় বিমানবন্দর। সংস্কারের কাজের সমীক্ষা শুরু হতে চলেছে। অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রককে এই বিষয়ে চিঠিও লিখেছেন রাজ্যের মন্ত্রী। কলকাতার বুক থেকে কার্যত হারিয়ে যেতে বসা বেহালা বিমানবন্দর (Behala Airport) পুনরুজ্জীবিত হতে পারে বলে আশা তৈরি হয়েছে।
জঙ্গল এবং আগাছা ভরে থাকা বেহালা ফ্লাইং ক্লাব বা বেহালা বিমানবন্দরের সংস্কার করে সেখানে বিমান পরিষেবা চালু করা যায় কি না, তা নিয়ে তৎপরতা শুরু হয়েছে। মূল কলকাতা থেকে মাত্র ৮ কিলোমিটার দূরে ওই বিমানবন্দর তৈরি হয় ১৯৪৭ সালে। ১.৪ কিলোমিটার রানওয়ে বিশিষ্ট ওই বিমানবন্দর থেকে পুনরায় চার্টার্ড বিমান এবং এয়ার অ্যাম্বুলেন্স চালু করার প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে।
বেহালা পশ্চিম বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হওয়ার পর রাজ্যের মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ ইতিমধ্যেই ড্রোন দিয়ে ওই বিমানবন্দরের সমীক্ষার ব্যবস্থা করেছেন। রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে তিনি কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রকের কর্তাদের চিঠিও দিচ্ছেন বলে সূত্রের খবর।
পালাবদলের সঙ্গে সঙ্গে রাজ্যের শিল্পের ক্ষেত্রে জোয়ার আনার ব্যাপারে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। ইন্দ্রনীল খাঁ-কে এ ব্যাপারে সাহায্যের কথা জানিয়েছেন রাজ্যের শিল্পমন্ত্রী তাপস রায়ও।
এয়ারপোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া সূত্রে খবর, বছরের পর বছর ধরে যথাযথ ভূমি সীমানা নির্ধারণের অভাব, সীমানা প্রাচীরের অনুপস্থিতি এবং অবৈধ দখলের কারণে গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোগত কাজ আটকে ছিল। যেহেতু বিমানবন্দরটি চালু করার জন্য এর চারপাশে একটি সম্পূর্ণ সীমানা প্রাচীর থাকা বাধ্যতামূলক, তাই এই বিষয়টি একটি বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। সূত্রের খবর, বেশ কয়েকটি দফায় এই সংস্কারের কাজ এবং যাবতীয় উন্নীতকরণের কাজ শুরু হবে।
সীমানা চিহ্নিত করা এবং প্রাচীর দিয়ে চারপাশ সুরক্ষিত করা সংস্কারের প্রাথমিক ধাপের মধ্যে পড়েছে। বিগত কয়েক দশকে বেহালা ফ্লাইং ক্লাব একটি পাইলট-প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান থেকে মূলত একটি নিষ্ক্রিয় বিমানক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। মাঝে মাঝে ব্যক্তিগত হেলিকপ্টার চলাচল ছাড়া তেমন কোনও আকাশপথের আনাগোনা না থাকায়, এই ফ্লাইট-প্রশিক্ষণ স্কুলটিকে পুনরুজ্জীবিত করে বিমানবন্দরটিকে পুনরায় ব্যবহার উপযোগী করার জন্য বারবার প্রচেষ্টা চালানো হয়েছে। কিন্তু বারবারই তা ব্যর্থ হয়েছে। এবার কি ফের সেখানে উড়বে বিমান? সময়ই বলবে।