ইঁদুরদৌড়ে সন্তানদের বলি দিয়ে লাভটা কার?
পুণের একটি সরকারি হাসপাতালে আত্মহত্যার চেষ্টা করে বেঁচে যাওয়া ১৫ থেকে ২৯ বছর বয়সি ৪৭ জন তরুণ-তরুণীর ওপর একটি বিস্তারিত সমীক্ষা চালানো হয়। তাঁদের মুখোমুখি বসিয়ে বলতে বলা হয়েছিল, ঠিক কোন পরিস্থিতিতে বা কারণে তারা জীবন শেষ করতে চেয়েছিল। বিশ্লেষণে বেরিয়ে আসে ব্যক্তিগত এবং পারিপার্শ্বিক কিছু প্রতিকূলতা, অভিভাবকদের প্রত্যাশা পূরণ ইত্যাদির কথা।
ভারত সরকার প্রযুক্তি এনেছে, আইন এনেছে, পরিকাঠামো গড়েছে। কিন্তু সমাজ ও পরিবার যদি এখনও শুধু অহেতুক প্রতিযোগিতার পিছনে ছুটে সন্তানদের মানসিক রক্তক্ষরণকে আড়াল করতে চায়, তবে সেই রাষ্ট্রীয় সদিচ্ছাও ব্যর্থ হতে বাধ্য। সময় এসেছে, এই মরণখেলা বন্ধ করার। আসুন, আগামী প্রজন্মকে জীবনকে ভালোবাসতে শেখাই। কারণ, বেঁচে থাকলে তবেই তো মেধার বিকাশের প্রশ্ন আসবে।
লেখক বিক্রমশীলা এডুকেশন রিসোর্স সোসাইটির শিশু সুরক্ষা কৌশল, সরকার সম্পর্ক, মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান