ছড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর দূষণ! তামিলনাড়ুতে বন্ধের মুখে টাটার আইফোন তৈরির কারখানা - 24 Ghanta Bangla News
Home

ছড়াচ্ছে ভয়ঙ্কর দূষণ! তামিলনাড়ুতে বন্ধের মুখে টাটার আইফোন তৈরির কারখানা

Spread the love

চেন্নাই: তামিলনাড়ুর হোসুরে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আইফোন কম্পোনেন্টস (Hosur Plant)তৈরির কারখানা এখন গুরুতর সংকটের মুখে। তামিলনাড়ু পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড (টিএনপিসিবি) অভিযোগ করেছে যে, কারখানা থেকে নির্গত…

চেন্নাই: তামিলনাড়ুর হোসুরে টাটা ইলেকট্রনিক্সের আইফোন কম্পোনেন্টস (Hosur Plant)তৈরির কারখানা এখন গুরুতর সংকটের মুখে। তামিলনাড়ু পলিউশন কন্ট্রোল বোর্ড (টিএনপিসিবি) অভিযোগ করেছে যে, কারখানা থেকে নির্গত বর্জ্যজল আশেপাশের কৃষিজমি ও ভূগর্ভস্থ জলকে দূষিত করেছে। এর ফলে কারখানাটি বন্ধ করে দেওয়া হতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এই ঘটনা রাজ্যের শিল্প পরিবেশকে আবারও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়েছে এবং বিনিয়োগকারীদের মনে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি করেছে।টাটা গ্রুপের এই প্ল্যান্ট অ্যাপলের আইফোনের ব্যাক প্যানেল ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ অংশ তৈরি করে। ভারতে আইফোন উৎপাদন বৃদ্ধির ক্ষেত্রে এটি একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত। কিন্তু গত কয়েক মাস ধরে আশেপাশের কৃষকরা অভিযোগ করে আসছিলেন যে, কারখানার বর্জ্যজল তাদের খোলা কুয়ো ও জমির জলকে দূষিত করছে।

আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/west-bengal/abhishek-banerjee-at-ed-office/

ডিসেম্বর ২০২৫ থেকে মে ২০২৬ পর্যন্ত একাধিকবার পরিদর্শন করে টিএনপিসিবি জানিয়েছে, কারখানার ভিতরের বৃষ্টির জল সংরক্ষণ পুকুরে বর্জ্যজল ফেলা হয়েছে এবং সেটি উপচে পড়ে আশেপাশের কৃষিজমিতে ছড়িয়ে পড়েছে। বোর্ড টাটাকে শো-কজ নোটিশ দিয়ে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা চেয়েছে, অন্যথায় কারখানা বন্ধ বা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।

টাটা কর্তৃপক্ষ অবশ্য এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করেছে। তারা জানিয়েছে, স্বাধীন ল্যাবরেটরির রিপোর্ট অনুসারে কারখানাটি সম্পূর্ণ পরিবেশগত নিয়ম মেনে চলছে। প্রয়োজনীয় সংশোধনমূলক ব্যবস্থাও নেওয়া হয়েছে বলে তারা দাবি করেছে। টাটার পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, এটি একটি রুটিন প্রক্রিয়া এবং কারখানার উৎপাদন স্বাভাবিকভাবেই চলছে।এই ঘটনা অনেকের মনে স্টারলাইট কপার প্ল্যান্টের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।

কয়েক বছর আগে থুথুকুডিতে স্টারলাইট কপার কারখানা পরিবেশ দূষণের অভিযোগে বন্ধ করে দেওয়া হয়। সেই কারখানা ভারতের মোট কপার উৎপাদনের প্রায় ৪০ শতাংশ জোগান দিত, প্রতি বছর প্রায় ৫,০০০ কোটি টাকার রাজস্ব আয় করত এবং ৪০,০০০-এরও বেশি মানুষের জীবিকা নির্বাহ করত। তার বন্ধের ফলে দেশ কপার আমদানিকারক হয়ে পড়ে, হাজার হাজার কর্মী চাকরি হারান এবং অর্থনৈতিক ক্ষতি হয় ব্যাপক। অনেকে আশঙ্কা করছেন, টাটার প্ল্যান্টের ক্ষেত্রেও যদি একই পরিণতি হয়, তাহলে ভারতে আইফোন উৎপাদনের লক্ষ্য এবং হাজার হাজার কর্মসংস্থান ঝুঁকিতে পড়বে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *