যুদ্ধে পাকিস্তান পর্যুদস্ত হলে তাদের ভারতের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার বার্তা মোহন ভাগবতের - 24 Ghanta Bangla News
Home

যুদ্ধে পাকিস্তান পর্যুদস্ত হলে তাদের ভারতের মূলস্রোতে ফিরিয়ে আনার বার্তা মোহন ভাগবতের

Spread the love

নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)ফের আলোচনার কেন্দ্রে। তিনি বলেছেন ভবিষ্যতে কোনও যুদ্ধে যদি পাকিস্তান চূড়ান্তভাবে পর্যুদস্ত হয়, তাহলে সেখানকার মানুষদের…

নয়াদিল্লি: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) সঙ্ঘপ্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)ফের আলোচনার কেন্দ্রে। তিনি বলেছেন ভবিষ্যতে কোনও যুদ্ধে যদি পাকিস্তান চূড়ান্তভাবে পর্যুদস্ত হয়, তাহলে সেখানকার মানুষদের হয় ভারতের (ভারতের) মূল স্রোতে ফিরিয়ে আনতে হবে, নয়তো তাদের নিজেদের দেশে শান্তিতে বসবাস করতে দিতে হবে। আর সেই লক্ষ্যে সংলাপের দরজা সবসময় খোলা রাখতে হবে।

তিনি স্পষ্ট করে বলেন, “আমরা হিটলারের মতো নই। সেটা আমাদের স্বভাব নয়। তাই কিছু দরজা খোলা রাখতে হয়। আমাদের অন্যায় ও অত্যাচারকে পরাজিত করতে হবে, কিন্তু যা ভালো তা রক্ষা করতে হবে।”মোহন ভাগবতের এই মন্তব্য আরএসএসের দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা দত্তাত্রেয় হোসাবলে-র পাকিস্তান নিয়ে সাম্প্রতিক বক্তব্যের সমর্থনে এসেছে।

আরও দেখুনঃ https://kolkata24x7.in/top-stories/saugata-roy-on-bjp-operation-lotus-mamata-popularity/

তিনি জোর দিয়ে বলেন, সংঘের দৃষ্টি পাকিস্তান রাষ্ট্রের পরিবর্তে সেখানকার সাধারণ মানুষের প্রতি। ভারত সরকারের নীতির সঙ্গে সংগতি রেখে সংঘ চলবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন। এই বক্তব্য রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। অনেকে একে আরএসএসের মানবিক দৃষ্টিভঙ্গির প্রকাশ বলে দেখছেন, আবার কেউ কেউ প্রশ্ন তুলছেন যে, বাস্তব রাজনীতির সঙ্গে এই আদর্শবাদ কতটা মেলে।

মোহন ভাগবতের মতে, ভারতের সংস্কৃতি কখনও বিজয়ী হয়েও নিশ্চিহ্ন করে দেওয়ার নয়। তিনি বলেন, যুদ্ধ হলে অন্যায়কে দমন করতে হবে, কিন্তু মানুষকে শত্রু ভাবা চলবে না। পাকিস্তানের জনগণের সঙ্গে সংলাপের পথ সবসময় উন্মুক্ত রাখার ওপর তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। এই বক্তব্যে তিনি ‘অখণ্ড ভারত’-এর ধারণাকেও সামনে এনেছেন। ঐতিহাসিকভাবে যে অঞ্চলগুলো একসময় ভারতের অংশ ছিল, সেখানকার মানুষের সঙ্গে সম্পর্ক পুনঃস্থাপনের সম্ভাবনার কথা তিনি বারবার বলে আসছেন।

রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে ভাগবতের এই বক্তব্য একদিকে শক্তিশালী ভারতের আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে, অন্যদিকে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির বার্তা দেয়। বিশেষ করে সাম্প্রতিক সময়ে ভারত-পাকিস্তান সীমান্তে উত্তেজনা এবং সন্ত্রাসবাদী ঘটনার প্রেক্ষাপটে এই মন্তব্য তাৎপর্যপূর্ণ। ভাগবত বলেছেন, ভারত কখনও আগ্রাসন করে না, কিন্তু আত্মরক্ষায় সদা প্রস্তুত।

তবে জয়ের পরেও মানুষের কল্যাণের কথা ভাবতে হয়। “আমরা অন্যায়কে ধ্বংস করব, কিন্তু ভালোকে রক্ষা করব” তাঁর এই উক্তি অনেকের মনে দাগ কেটেছে।এদিকে বিরোধী দলগুলোর একাংশ এই বক্তব্যকে ‘অবাস্তব’ বলে সমালোচনা করেছে। তাঁরা বলছেন, পাকিস্তানের সামরিক-রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান যতদিন সন্ত্রাসবাদকে মদত দেবে, ততদিন সংলাপের পথ কতটা কার্যকর হবে?

অন্যদিকে বিজেপি ও সংঘ ঘনিষ্ঠ নেতারা বলছেন, ভাগবতের কথায় ভারতের সনাতন সংস্কৃতির প্রতিফলন ঘটেছে। ভারত কখনও বিজয়ের পর গণহত্যা বা নিশ্চিহ্নকরণের পথে হাঁটেনি। ১৯৭১-এর যুদ্ধের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতা এবং বন্দিদের ফেরত পাঠানো তার উদাহরণ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *