দিল্লি থেকে ফিরে সিআইডির মুখোমুখি অভিষেক
গরমের ছুটির মধ্যে দায়ের হওয়া ওই মামলা নিয়ে গত কয়েকদিন ধরে দ্রুত শুনানির জন্য আদালতে বার বার দৃষ্টি আকর্ষণ করছিলেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবারও তিনি আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। এ দিন অভিষেকের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, ‘নোটিস দেওয়ার উদ্দেশ্য জিজ্ঞাসাবাদ করা। কিন্তু, তার সঙ্গে হেফাজতে নেওয়ার কি যুক্তি রয়েছে? আদালত রক্ষাকবচ দিলে যে দিন যখন খুশি সিআইডি তলব করলে তিনি যাবেন। প্রয়োজনে সকাল ১০ টা থেকে রাত ১০ টা পর্যন্ত ভবানী ভবনে বসে থাকবেন।’ যদিও রাজ্যের তরফে অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল রাজদীপ মজুমদার বলেন, ‘কোনও ভাবে তাঁকে রক্ষাকবচ দেওয়া যাবে না। কারণ, তিনবার তলব এড়িয়েছেন তৃণমূল নেতা। তাঁর কাছে ওই বিধায়কদের বৈঠকের রেজ়োলিউশন কপি চাওয়া হয়েছিল। কিন্তু, নেই বলে তিনি জানিয়েছেন। ফলে অভিষেককে অভিযুক্ত হিসেবে এখন সিআইডি তলব করতে চায়। ওই নথি না পেলে তদন্ত আটকে যাচ্ছে।’ বিচারপতি চন্দের পাল্টা বক্তব্য, ‘পুলিশের যেমন ওই নথি আদায় করতে তল্লাশি এবং জিজ্ঞাসাবাদের অধিকার রয়েছে, তেমনই তাঁরও ‘আমার কাছে ওই নথি নেই’ বলার অধিকার রয়েছে। ফলে তদন্তে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার দায়িত্ব পুলিশের।’