Manjari Fadnnis: ‘মাইকি’কে রড দিয়ে পিটিয়ে খুন, ‘জানে তু ইয়া…’ খ্যাত অভিনেত্রীর কান্না দেখে নিজেকে ধরে রাখতে পারলেন না ভূমি | Bhumi Pednekar Expresses Deep Outrage Over Brutal Killing of Dog Mikey; Demands Justice After Manjari Fadnnis’s Emotional Video
মঞ্জরী ফডণীস (Manjari Fadnnis)-এর একটি ভাইরাল ভিডিয়ো ঘিরে এই মুহূর্তে তোলপাড় বলিপাড়া। মুম্বইয়ের একটি আবাসন চত্বরে ‘মাইকি’ নামের এক সারমেয়কে লোহার রড দিয়ে মেরে নৃশংসভাবে হত্যা করার অভিযোগ তুলেছেন তিনি। আর সেই নির্মম ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে ক্যামেরার সামনেই কান্নায় ভেঙে পড়েন ‘জানে তু ইয়া জানে না’ খ্যাত অভিনেত্রী। তাঁর এই কান্না ছুঁয়ে গিয়েছে নেটনাগরিকদের হৃদয়। একই সঙ্গে ভারতের পশু সুরক্ষা আইন নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলছেন অনেকে।
ঠিক কী ঘটেছিল ওই রাতে? মঞ্জরী জানিয়েছেন, মাইকি নামের ওই সারমেয়কে আগে একটি পরিবার দত্তক নিয়েছিল। কিন্তু পরে তাঁরা তাকে ওই আবাসনেই ফেলে চলে যায়। তারপর থেকে আবাসনের সহৃদয় বাসিন্দারাই তার দেখভাল করতেন। ২০১৯ সাল থেকে সে ওখানেই সকলের চোখের মণি হয়ে থাকত। কিন্তু গত কয়েকদিন ধরে হঠাৎই নিখোঁজ হয়ে যায় মাইকি। চারিদিকে পোস্টার দিয়েও খোঁজ মিলছিল না। অবশেষে এক প্রতিবেশীর স্বীকারোক্তিতে যে সত্য সামনে এল, তা শুনে শিউরে উঠছেন সকলে।
অভিযোগ, বেসমেন্টে শান্তভাবে ঘুমন্ত অবস্থায় মাইকিকে ভারী লোহার রড বা লাঠি দিয়ে মাথায় আঘাত করা হয়। সম্পূর্ণ দিশেহারা অবস্থায় তাকে সিঁড়ি দিয়ে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে গিয়ে ফের মারধর করা হয়। প্রচণ্ড মারের চোটে তার মুখ থেকে রক্ত বেরোতে শুরু করে। ভয়ে সে মলমূত্র ত্যাগ করে ফেললে অত্যাচারের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দেওয়া হয়। এরপর অর্ধমৃত অবস্থায় একটি বস্তায় ভরে পিছনের একটি খাড়িতে ফেলে দেওয়া হয় তাকে। তখনও নাকি তার দেহে প্রাণ ছিল।
এই পাশবিকতার খবর ছড়িয়ে পড়তেই গর্জে উঠেছেন বলিউডের একঝাঁক তারকা। অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, “আমি অত্যন্ত দুঃখিত। মন ভেঙে গিয়েছে আমার। মাইকির জন্য বিচার চাই।” তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়ে করিশ্মা তন্না লিখেছেন, “মঞ্জরী, আমি এই যন্ত্রণা বুঝি। ভারতের আইন এবং আমাদের বিবেক আজ সম্পূর্ণ ব্যর্থ।” সন্ধ্যা মৃদুল কিংবা ধনশ্রী বর্মার মতো ব্যক্তিত্বরাও এই ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন।
এখনও পর্যন্ত মাইকির দেহের সন্ধান মেলেনি, চলছে জোরকদমে তল্লাশি। নেটপাড়ার এখন একটাই দাবি, অবলা প্রাণীদের ওপর যারা এমন পৈশাচিক অত্যাচার চালায়, তাদের যেন কঠোর থেকে কঠোরতম শাস্তি হয়।