Government office fire: ফাইলের পর ফাইল নথি ছাই, ‘কোলাপস’ করে যেতে পারে গোটা সরকারি সিস্টেম! সরকারের প্রধান অফিসেই ভয়ঙ্কর ঘটনা | Massive fire at alipore zilla parishad office 12 fire engines deployed government staff trapped on roof
আলিপুরের জেলাশাসকের অফিসে আগুনImage Credit: TV9 Bangla
কলকাতা: গোটা অফিস জ্বলছে দাউ দাউ করে আগুন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে গিয়েছে এলাকা। প্রাণ বাঁচাতে ছাদে সরকারি কর্মীরা। সাতসকালে আলিপুরের জেলা শাসকের অফিসে বিধ্বংসী আগুন। একটা গোটা বহুতলের প্রত্যেকটা ঘরে প্রায় আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। ঘটনাস্থলে রয়েছে দমকলের ১২ টি ইঞ্জিন। অফিসের গুরুত্বপূর্ণ সমস্ত কাগজ ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে। এখনও পর্যন্ত ছাদে আটকে রয়েছেন ২ সরকারি কর্মী। তাঁদের উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। বাইরে থেকে দড়ি বেঁধে উপরে উঠে তাঁদেরকে ছাদ থেকে নামানোর চেষ্টা চলছে।
ওই বিল্ডিংয়ে মূলত NIC অফিস। মূলত এখান থেকে সরকারি সমস্ত দফতরের সার্ভার মেনটেইন করা হয়। ওই ভবনের তিন, চার, পাঁচ, ছ’তলায় পুরোটাই আগুন লেগে গিয়েছে। NIC অর্থাৎ সব সরকারি অফিসগুলোতেই এখান থেকে ইন্টারনেট সিস্টেম কানেক্ট হয়। দফতরেই এক কর্মী এনামল হোসেন বলেন, “এখান থেকেই তো সব সরকারি অফিসগুলোতে গোটা সিস্টেম কানেক্ট হয়। ইন্টারনেট বসে যাওয়া মানে, সরকারি সমস্ত সাইট কোলাপস হয়ে যাবে। নেটা এখান থেকেই পুরোটা যায়। প্রচুর গুরুত্বপূর্ণ নথিও পুড়ে গিয়েছে।”
সকালবেলায় যখন আগুন লাগে, তখন অফিসে কেবল ৩ জন ছিলেন। তাঁদের মধ্যে এক জন রংমিস্ত্রি ছিলেন। আর দু’জন স্টাফ ছিলেন। তাঁরাই ছাদে দাঁড়িয়ে। একটা সরকারি দফতর, কাজেই প্রচুর কাগজ-নথি রয়েছে, কম্পিউটার, ফ্যাক্স-জেরক্স মেশিন রয়েছে। দাহ্য পদার্থ থাকায় আগুন ছড়াচ্ছে দ্রুত গতিতে। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী, আগুনের তীব্রতা বাড়ছে। রাজ্য সরকারি পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা।
আপাতত আগুন নেভানোর ওপরেই জোর দিচ্ছেন দমকলকর্মীরা। কী থেকে আগুন লেগেছে, তা এখনও বলতে পারেননি দমকল আধিকারিকরা। আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হলে, উৎসের সন্ধান চলবে। প্রয়োজনে ফরেনসিক তদন্ত হবে। যেহেতু ৩ ও ৪ তলায় আগুন লেগেছে, এখানে ল্যাডারের ব্যবহার করা যায় না বলে জানিয়েছেন দমকল আধিকারিকরা। এই দফতরে নিজস্ব অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল কিনা, সেটাও খতিয়ে দেখা হবে জানিয়েছেন আধিকারিক।