হরিনাম সংকীর্তনে আপত্তি! বোলপুরে শ্যামল নাগের উপর ইসলামপন্থীদের প্রাণঘাতী হামলা - 24 Ghanta Bangla News
Home

হরিনাম সংকীর্তনে আপত্তি! বোলপুরে শ্যামল নাগের উপর ইসলামপন্থীদের প্রাণঘাতী হামলা

Spread the love

বোলপুর: বীরভূমের ঐতিহ্যবাহী বোলপুরে ফের ছড়াল উত্তেজনা। হরিনাম সংকীর্তন করার জেরে শ্যামল নাগ (Shyamal Nag)নামে এক ব্যক্তির উপর ইসলামপন্থীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর নিরামিষ হোটেলের সামনে নিয়মিত হরিনাম …

বোলপুর: বীরভূমের ঐতিহ্যবাহী বোলপুরে ফের ছড়াল উত্তেজনা। হরিনাম সংকীর্তন করার জেরে শ্যামল নাগ (Shyamal Nag)নামে এক ব্যক্তির উপর ইসলামপন্থীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। তাঁর নিরামিষ হোটেলের সামনে নিয়মিত হরিনাম সংকীর্তন চালানোর জেরে এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় একদল লোক শ্যামল নাগকে মারধর করে।

শ্যামল নাগ বোলপুর সাব-ডিভিশনাল হাসপাতালের কাছে একটি ছোট নিরামিষ খাবারের হোটেল চালান। দীর্ঘদিন ধরে তিনি প্রতিদিন হোটেলের সামনে লাউডস্পিকারে হরিনাম সংকীর্তন বাজিয়ে ভক্তিমূলক পরিবেশ তৈরি করতেন। তাঁর ভক্তি এতটাই গভীর যে, কৃষ্ণনাম ছাড়া দিন শুরু হয় না বলে জানিয়েছেন তিনি। স্থানীয় অনেকেই এই সংকীর্তন শুনে আনন্দ পেতেন।

কিন্তু কয়েকদিন আগে থেকেই কিছু ইসলামপন্থী এতে আপত্তি জানাতে শুরু করে। তাঁরা শ্যামলকে সংকীর্তন বন্ধ করতে বলেন।অভিযোগ, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই কয়েকজন যুবক হোটেলের সামনে এসে চড়াও হয়। তাঁরা জোর করে লাউডস্পিকার বন্ধ করতে বলে এবং শ্যামল নাগকে অশালীন ভাষায় গালিগালাজ শুরু করে। শ্যামলবাবু যখন বলেন যে এটা তাঁর ধর্মীয় অধিকার এবং তিনি শান্তিতে সংকীর্তন করছেন, তখনই পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়।

আরও দেখুনঃ নাবালিকাকে মারধর ও কটূক্তির অভিযোগে গ্রেফতার তৃণমূল কাউন্সিলর

অভিযোগকারীদের মতে, ওই যুবকরা শ্যামল নাগকে লাঠি ও হাত দিয়ে মারধর করে। তাঁর হাত-পায়ে আঘাত লাগে এবং তিনি মাটিতে পড়ে যান। আশপাশের দোকানদার ও পথচারীরা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়।এক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, “শ্যামল নাগ খুব শান্ত প্রকৃতির মানুষ। সারাদিন হোটেল চালান, আর সন্ধ্যায় হরিনাম করে। কাউকে কোনও অসুবিধা করেন না।

শ্যামল নাগকে স্থানীয়রা দ্রুত বোলপুর সাব-ডিভিশনাল হাসপাতালে নিয়ে যান। তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে, তবে শরীরের বিভিন্ন জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে।এই ঘটনার পর বোলপুরের হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। অনেকে বলছেন, বীরভূম জেলায় বারবার এ ধরনের ঘটনা ঘটছে। ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাধা দেওয়া হচ্ছে। স্থানীয় বিজেপি নেতারা ঘটনার নিন্দা করে বলেছেন, “এটা স্পষ্ট ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা। প্রশাসনকে অবিলম্বে ব্যবস্থা নিতে হবে।” তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি, তবে স্থানীয় নেতারা শান্তি বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *