Dilip Ghosh: র্যালিতে এসে সুপারবাইক চালালেন দিলীপ, বাইকের দাম শুনলে আপনার চোখ কপালে উঠবে! | Dilip Ghosh Rides Harley Davidson Street Glide; Check Price of the superbike
দিলীপ ঘোষের বাইকপ্রীতি চর্চিত রাজ্যে।Image Credit: Facebook
কলকাতা : অতীতে আমরা অভিনেতা জন আব্রাহাম, ক্রিকেটার এমএস ধোনিকে দেখেছি বাইক নিয়ে প্যাশনেট হতে। এবার সেই তালিকায় রাজ্য থেকে আরও একটি নাম যোগ হল। মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তিনিও বরাবর নানারকম বাইকের ভক্ত। প্রায়শই তাঁকে বাইক নিয়ে এদিক-সেদিক ঘুরতে দেখা যায়। দিন কয়েক আগেই ৬৩ লক্ষ টাকার একটি বাইক চালাতে দেখা গিয়েছিল তাঁকে।
আজ, রবিবার সাইকেল দিবস উপলক্ষে বেশ কিছু কর্মসূচী করেছেন দিলীপ। হার্লে-ডেভিডসনের একটি বাইক প্রদর্শনীতে অংশ নিয়ে দিলীপ বলেছেন,“নতুন সরকার আসার পরেই অনেক গেরুয়া রংয়ের গাড়ি কিনেছে। ২০০০ শিশির বাইক আমাদের দেশে কম আছে। এই বাইকগুলো নতুন প্রজন্মের কাছে খুবই আকর্ষণীয়।” তবে প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার পাশাপাশি তাঁকে দেখা গিয়েছে একটি অত্যাধুনিক বাইক চালাতে। রীতিমতো লাল টকটকে সেই বাইকের বিষয়ে জানেন?
বাইকটির নাম ‘হার্লে-ডেভিডসন স্ট্রিট গ্লাইড’। গোটা বিশ্বের যাঁরা সুপারবাইক বা ক্রুজার বাইক চালান, তাঁদের কাছে এই বাইক চালানো প্রায় চাঁদ হাতে পাওয়ার সমান। এমনকি, ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক এমএস ধোনির কাছেও এই দুর্দান্ত বাইকের একটি বিশেষ কাস্টমাইজ করা সংস্করণ রয়েছে।
এই বাইকের সবথেকে বড় আকর্ষণ হল, এর আইকনিক ‘ব্যাট উইং ফেয়ারিং’ বা বাদুড়ের ডানার মতো ডিজাইন। দীর্ঘ সফরে যাতে আরাম লাগে, তার জন্য রয়েছে সিগনেচার লাগেজ বাক্স ও রাইডিং মোড। হাই টেক ফিচার হিসেবে এই বাইকে রয়েছে ১২.২৮ ইঞ্চির ফুল কালার টিএফটি টাচস্ক্রিন ডিসপ্লে ও উন্নত অডিও স্পিকার সিস্টেম। বাইকে রয়েছে ১৯২৩ সিসি-র শক্তিশালী ‘মিলওয়াকি এইট ১১৭’ ভি-টুইন ইঞ্জিন, যা প্রায় ১০৮.৭৭ হর্সপাওয়ার শক্তি উৎপাদন করতে সক্ষম। বাইকটিতে রয়েছে ২২.৭ লিটারের ফুয়েল ট্যাঙ্ক ও বাইকটির ওয়েট ৩৮০ কেজির কাছাকাছি।
এই বাইকটি বেশ কিছু কালার অপশনে পাওয়া যায়, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য – ভিভিড ব্ল্যাক, বিলিয়ার্ড গ্রে, ব্রিলিয়ান্ট রেড, ব্লু বার্স্ট, অ্যাটলাস সিলভার মেটালিক। এই প্রিমিয়াম বাইকটির ভারতের বাজারে এক্স শোরুম দাম শুরু প্রায় ৪২.৫০ লক্ষ টাকা থেকে। তবে আরটিও ও ইন্স্যুরেন্স যোগ করে এর অন রোড প্রাইস প্রায় ৪৭ লক্ষ টাকার কাছাকাছি। এই বাইকের লুক এতটাই ‘গ্লসি’, যে দূরপাল্লার হোক বা কাছাকাছি – সব সফরের জন্যই এই বাইক আপনার অটোমেটিক চয়েস হতে পারে।