বোমা বিস্ফোরণ মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’! বাইপাস থেকে শওকতকে তুলল NIA - 24 Ghanta Bangla News
Home

বোমা বিস্ফোরণ মামলার ‘মাস্টারমাইন্ড’! বাইপাস থেকে শওকতকে তুলল NIA

Spread the love

কলকাতা: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের এক হাই-প্রোফাইল গ্রেফতারি। ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলায় এবার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। গত কয়েকদিন ধরে …

কলকাতা: বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনের আবহে ফের এক হাই-প্রোফাইল গ্রেফতারি। ভাঙড় বোমা বিস্ফোরণ মামলায় এবার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক শওকত মোল্লাকে গ্রেফতার করল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। গত কয়েকদিন ধরে বেপাত্তা থাকার পর, অবশেষে ইএম বাইপাস সংলগ্ন এলাকা থেকে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দাদের জালে ধরা পড়লেন তিনি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, এই গোটা বিস্ফোরণ কাণ্ডের মূল চক্রী বা ‘মাস্টারমাইন্ড’ খোদ শওকত মোল্লাই।

ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে ভাঙড়ে গোপনে বোমা তৈরির সময় আচমকাই একটি দেশি বোমার তীব্র বিস্ফোরণ ঘটে। সেই মারাত্মক ঘটনায় যে ব্যক্তি বোমা বাঁধছিল, ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয় এবং আরও কয়েকজন গুরুতর জখম হন। প্রথমে রাজ্য পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করলেও, পরবর্তীকালে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে এই মামলার তদন্তভার নিজেদের হাতে নেয় এনআইএ। আর সেই তদন্তের সূত্র ধরেই উঠে আসে প্রভাবশালী নেতা শওকত মোল্লার নাম।

তদন্তে নেমে এনআইএ-র গোয়েন্দারা এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মোট ৪ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে, যার মধ্যে শওকত মোল্লাই ছিলেন মূল ষড়যন্ত্রকারী। কেন্দ্রীয় সংস্থার দাবি, শওকতের নির্দেশেই বাকি অভিযুক্তরা ওই এলাকায় বোমা তৈরি করছিল। শুধু তাই নয়, বিস্ফোরণ ঘটে যাওয়ার পর অপরাধ ঢাকতে এবং ঘটনাস্থলের সমস্ত তথ্য-প্রমাণ নষ্ট করে দেওয়ার জন্য তিনি তাঁর সহযোগীদের নির্দেশ দিয়েছিলেন বলেও তদন্তে উঠে এসেছে।

এর কিছুদিন আগেই এই একই মামলায় আরও এক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ। তদন্তে জানা যায়, বিস্ফোরণের ঠিক পর পরই নিজের ‘স্করপিও’ গাড়িতে করে মৃত ও আহতদের অন্যত্র সরিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেছিলেন ওই ব্যক্তি।

এদিকে, শওকতকে জালে তোলার আগে গত বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় এজেন্সির আধিকারিকেরা তাঁর বাড়ি, দলীয় কার্যালয়-সহ মোট ৮টি ডেরায় একযোগে ম্যারাথন তল্লাশি চালায়। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সে সময় আটকে করা হয়েছিল তাঁর ছেলেকেও। এনআইএ জানিয়েছে, ধৃতদের জেরা করে এই ঘটনার পিছনে আর কোনও বড় আন্তর্জাতিক চক্র বা গভীর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *