TMC Reshuffle After Election Defeat: ভরাডুবির পরও অভিষেকেই আস্থা মমতার, ফের নিজের হাতে সাজালেন দল, কে কোন পদ পেলেন? | Despite TMC Collapse, Mamata Banerjee Retains Faith in Abhishek, Reshuffles Party Leadership - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC Reshuffle After Election Defeat: ভরাডুবির পরও অভিষেকেই আস্থা মমতার, ফের নিজের হাতে সাজালেন দল, কে কোন পদ পেলেন? | Despite TMC Collapse, Mamata Banerjee Retains Faith in Abhishek, Reshuffles Party Leadership

Spread the love

তৃণমূলে কে কোন পদ পেলেন? Image Credit: ChatGPT

কলকাতা: ডুবেছে দল। ভেঙে একেবারে ছত্রখান হয়ে গিয়েছে সুপ্রিমোর সাজানো বাগান। বেসুরো ৫৮ বিধায়ক বিরোধী দলনেতা হিসাবে বেছে নিয়েছেন বিদ্রোহী ঋতব্রতকে। আবার সংসদেও শুরু টানাপোড়েন। অন্যদিকে কয়েকদিন আগেই ভেঙে দেওয়া হয়েছিল তৃণমূলের সমস্ত ফ্রন্টাল অর্গানাইজেশন। ছাত্র সংগঠন থেকে মহিলা সংগঠন, সব ক্ষেত্রেই সব পদের অবলুপ্তি! কিন্তু দলের ভরাডুবির পরও অভিষেকেই আস্থা মমতার, ফের নিজের হাতে সাজালেন দল। 

দলের যুগ্ম জাতীয় সাধারণ সম্পাদক হলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে সাহায্য করবেন দোলা সেন , ডেরেক ও ব্রায়েন। সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে তাঁদের। তৃণমূলের পশ্চিমবঙ্গের সভাপতি মনোনীত হলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য। অন্যদিকে মহিলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভানেত্রী হলেন মালা রায়। যুব তৃণমূলের সভানেত্রী সায়নী ঘোষ। অন্যদিকে ছাত্র পরিষদের সভানেত্রী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা চৌধুরী। অন্যদিকে আইএনটিটিইউসি-র সভাপতি হচ্ছেন মলয় ঘটক। আগে এই পদে ছিলেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে তৃণমূল বহিস্কারের পরেও তাঁর পদে থাকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন দলেরই উল্টো শিবিরের নেতারা। 

এরইমধ্যে দলের রাজ্য রাজ্য মুখপাত্র কুণাল ঘোষ। জাতীয় মুখপাত্রের দায়িত্ব থাকছেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও ব্রায়েন। কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থায় ট্রেড ইউনিয়ন এবং হকার ইউনিয়ন দেখবেন মদন মিত্র। 

কী বলছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা? 

প্রসঙ্গত, দলের ভাঙনের নেপথ্যে বারবার উঠেছে অভিষেকের নাম। তাঁর উপরেই একেবারে ক্ষোভের বিস্ফোরণ ঘটেছে দলের অন্দরেই। অভিষেকের জন্য়ই দলের আজ এই হাল, ভোটে ভরাডুবি, বলছেন বিদ্রোহী বিধায়করা। সোজা কথায়, অভিষেকের থেকে দূরেই থাকতে চাইছেন তৃণমূলের সিংহভাগ বিধায়ক। না পাসন্দ তাঁর কর্পোর্ট রাজনীতি। 

এই আবহে ঋতব্রতরা মমতাকে যখন তাঁদের পরামর্শদাতা হিসাবে চাইছেন তখন কিন্তু মমতার অভিষেকেের উপর ফের আস্থা যে তাৎপর্যপূর্ণ তা বলার অপেক্ষা রাখে না। ভোটে হারের পরেও মমতা বারবার বলেছেন তাঁরা হারেননি, হারানো হয়েছে। কিন্তু দলের অভ্যন্তরণে রোষ অভিষেককে ঘিরে। তারপরেও অভিষেককেই দলের জাতীয় সাধারণ সম্পাদক পদে রাখলেন মমতা। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের বড় অংশের মত, টালমাটাল পরিস্থিতিতেও অভিষেককে পদে রেখে আসলে মমতা যে তাঁর নিজেরই রাস্তাই ঠিক তাই আরও একবার প্রমাণ করতে চাইলেন। তবে অভিষেকের পাশাপাশি দোলা ও ডেরেককেও তাৎপর্যপূর্ণভাবে সর্বভারতীয় যুগ্ম সাধারণ সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কুণাল ঘোষ বলছেন, আমাদের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের তো কাজের চাপ অনেক বাড়ছে। ফলে তাঁকে সহযোগিতা করার জন্য আরও দুজন যুগ্ম সম্পাদক আমাদের ন্যাশানাল ওয়ার্কিং কমিটি থেকে করা হয়েছে। 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *