স্কুলের ছাদে তৃণমূল নেতার কাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য, উদ্ধার গর্ভনিরোধক, শাড়ি ও সরকারি ত্রিপল! - 24 Ghanta Bangla News
Home

স্কুলের ছাদে তৃণমূল নেতার কাণ্ড ঘিরে চাঞ্চল্য, উদ্ধার গর্ভনিরোধক, শাড়ি ও সরকারি ত্রিপল!

Spread the love

পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) এগরা-২ ব্লক এলাকার বাথুয়াড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি স্কুলকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই স্কুলের ছাদে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তিকর ও …

পূর্ব মেদিনীপুরের (East Medinipur) এগরা-২ ব্লক এলাকার বাথুয়াড়ি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় একটি স্কুলকে কেন্দ্র করে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ওই স্কুলের ছাদে দীর্ঘদিন ধরে আপত্তিকর ও অসামাজিক কার্যকলাপ চলছিল। বিষয়টি সামনে আসতেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভে ফেটে পড়েন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গোপন খবরের ভিত্তিতে (East Medinipur) বৃহস্পতিবার সকালে কিছু গ্রামবাসী হঠাৎ করেই ওই স্কুলে পৌঁছান। স্কুলের ছাদে উঠে তাঁরা যা দেখতে পান, তাতে হতবাক হয়ে যান। অভিযোগ, সেখানে ছড়িয়ে-ছিটিয়ে ছিল মহিলাদের ব্যবহৃত শাড়ি, ব্লাউজ, প্রচুর পরিমাণে ব্যবহৃত ও অব্যবহৃত গর্ভনিরোধক, (East Medinipur) পাশাপাশি রাজ্য সরকারের ত্রাণ সামগ্রীর ত্রিপলও পাওয়া যায়। শুধু তাই নয়, বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও সেখানে পড়ে থাকতে দেখা যায় বলে দাবি স্থানীয়দের।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রামবাসীদের মধ্যে ক্ষোভের আগুন ছড়িয়ে পড়ে। তাঁদের অভিযোগ, স্কুলের মতো একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আড়ালে দীর্ঘদিন ধরে ওই জায়গাকে অসামাজিক কার্যকলাপের আখড়া হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছিল। স্থানীয়দের আরও দাবি, এর নেপথ্যে তৃণমূলের এক স্থানীয় নেতা ও স্কুল পরিচালনার সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা জড়িত থাকতে পারেন।

অভিযোগের(East Medinipur) কেন্দ্রবিন্দুতে থাকা ওই তৃণমূল নেতা সুজিত শীর নাম সামনে আসতেই পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। স্থানীয়দের দাবি, তিনি ওই বেসরকারি স্কুলটির সঙ্গে মালিকানার সূত্রে যুক্ত ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরেই এলাকার প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত। তবে এই অভিযোগ ওঠার পর থেকেই তিনি এলাকা থেকে পলাতক বলে জানা গেছে। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়তেই স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন এবং স্কুল প্রাঙ্গণ ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন। এরপরই উত্তেজিত জনতা অভিযুক্ত নেতার বাড়ির সামনে গিয়ে বিক্ষোভ দেখান এবং দ্রুত গ্রেফতারের দাবি জানান। পরিস্থিতি ক্রমশ নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে গেলে এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।

ঘটনার পরপরই এগরা থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রশাসনের পক্ষ থেকেও দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়া হয়। এগরা-২ ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন এবং স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে উত্তেজনা প্রশমনের চেষ্টা করেন। পরে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে থাকায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয় বলে জানা গেছে।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। স্কুলের ছাদে পাওয়া বিভিন্ন সামগ্রী এবং নথিপত্র কীভাবে সেখানে এল, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। পাশাপাশি অভিযুক্তদের ভূমিকা এবং অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা হবে।

 

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *