জীবনতলায় তৈরি হোল্ডিং সেন্টার, প্রশ্ন নিরাপত্তায়
এই সময়, জীবনতলা: গোটা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে শুরু হয়েছে অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিতকরণ ও পুশব্যাকের কাজ। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় পুলিশ প্রশাসনের তরফ থেকে বিভিন্ন জায়গায় হানা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বেশ কিছু বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের। ঘুটিয়ারি শরিফ, বারুইপুর মল্লিকপুর, কুলতলিতে হদিস মিলছে অবৈধ ভাবে এ দেশে আসা বাংলাদেশিদের। তাদের রাখতে তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার।
তবে দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কতগুলি হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হবে তা নিয়েও প্রশাসনের অন্দরে দ্বিমত আছে। যেহেতু দক্ষিণ ২৪ পরগনা একটি বিস্তীর্ণ জেলা এবং বাংলাদেশের সঙ্গে কিছুটা জলপথ সীমান্ত ভাগ করে তাই এখানে একটি বা দু’টি হোল্ডিং সেন্টারে সমস্ত বাংলাদেশিদের কে রাখা সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। ইতিমধ্যেই ক্যানিং মহকুমার জীবনতলা থানার ঝোড়র মোড়ে একটি হোল্ডিং সেন্টার তৈরি করা হয়েছে। এলাকার কর্মতীর্থ বিল্ডিংকে এই হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে কাজে লাগানো হচ্ছে। তবে হোল্ডিং সেন্টারের পরিকাঠামো ও নজরদারি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
২০১৮ সালের এই কর্মতীর্থ কেন্দ্রটি গড়ে তোলা হয়। তার পর ২০২০ সালে করোনার সময়ে সেখানে কোয়ারেন্টাইন সেন্টার তৈরি করা হয়েছিল। এর পর থেকে পড়ে ছিল এই কর্মতীর্থ। বিল্ডিংয়ের চারিদিকে নেই কোনও উঁচু পাঁচিল। সব সময় বিল্ডিংয়ের ভিতরে যাতায়াত করেন এলাকার মানুষ। অথচ রাজ্য সরকারের গাইডলাইনে বলা হয়েছে সমস্ত হোল্ডিং সেন্টারগুলিতে উঁচু করে পাঁচিলের ব্যবস্থা রাখতে হবে, তার উপরে কাঁটাতারের বেড়া দিতে হবে।এখানে আপাতত সে সব নেই।
তবে জীবনতলা থানার তরফ থেকে পুলিশকর্মী দিয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে। সিসিটিভির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত যে কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী সেখানে আছেন তাদের পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখতে রাজি নয় প্রশাসন। এ বিষয়ে ক্যানিংয়ের মহকুমা শাসক প্রবীণ মালিয়াল বলেন, ‘রাজ্য সরকারের যা গাইডলাইন আছে সেইমতো সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সিসিটিভি নজরদারি আছে। খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা সেখানে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।’
তবে জীবনতলা থানার তরফ থেকে পুলিশকর্মী দিয়ে পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে সেখানে। সিসিটিভির ব্যবস্থা করা হয়েছে। আপাতত যে কয়েকজন অনুপ্রবেশকারী সেখানে আছেন তাদের পর্যাপ্ত খাবার দেওয়া হচ্ছে। তবে নিরাপত্তা ব্যবস্থায় কোনও ফাঁক রাখতে রাজি নয় প্রশাসন। এ বিষয়ে ক্যানিংয়ের মহকুমা শাসক প্রবীণ মালিয়াল বলেন, ‘রাজ্য সরকারের যা গাইডলাইন আছে সেইমতো সমস্ত ব্যবস্থা করা হচ্ছে। সিসিটিভি নজরদারি আছে। খাওয়ার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। ২৪ ঘণ্টা সেখানে পুলিশ মোতায়ন করা হয়েছে।’
ইতিমধ্যেই কয়েকজন পুরুষ-মহিলাকে রাখা হয়েছে সেখানে। যাদের মূলত গ্রেপ্তার করা হয়েছিল ঘুটিয়ারি শরিফ, মল্লিকপুর এবং সোনারপুর থেকে। তবে তাদের কবে ফেরত পাঠানো হবে বাংলাদেশে এই নিয়ে অবশ্য কিছু জানাতে পারেননি প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরা। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানোর জন্য সমস্ত কাগজপত্র তৈরির করার প্রক্রিয়া চলছে। তা সম্পন্ন হয়ে গেলেই সকলকে ওপারে পুশব্যাক করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।