সূর্যর হাতে রুক্ষ মাটিতে আপেল, পুরুলিয়ার মাটিতেও বিকল্প চাষ
জানতে পেরে তাঁর বাড়িতে আপেল দেখতে এসেছিলেন দুই স্কুল শিক্ষক ভাস্কর মাহাতো ও বাবলু মাজি। তাঁদের কথায়, ‘আমাদের জেলার মাটিতে আপেল ফলছে শুনেই দেখতে গিয়েছিলাম। খেয়েও দেখলাম, খুব মিষ্টি। পুরুলিয়ায় যে আপেল ফলবে, ভাবতেও পারিনি।’ সূর্য বললেন, ‘স্যোশাল মিডিয়া দেখে গাছের পরিচর্যা করে সফল হয়েছি। পাঁচটি গাছে প্রচুর ফল এসেছে। প্রত্যেক দিনই মানুষজন এসে খেয়ে দেখছেন। সবাই বলছেন, খুবই মিষ্টি।’ তিনি আরও বললেন, ‘আমার কাছে চার ধরনের প্রজাতির আপেল গাছ রয়েছে, আমাদের জলবায়ুতে যেগুলির চাষের সম্ভাবনা রয়েছে। এই প্রজাতির ফলন অসমেও হয়। বাণিজ্যিক ভাবে এই চাষ করলে অনেকে উপকৃত হবেন।’