TMC: 'ঘাসফুল' প্রতীকটাই ব্যান হয়ে যাবে? মুষলপর্বে বড় বিপর্যয়ের মুখে তৃণমূল | Dilip Ghosh Demands Ban on TMC Symbol Amid Rebellion by 50 MLAs Against Abhishek Banerjee - 24 Ghanta Bangla News
Home

TMC: ‘ঘাসফুল’ প্রতীকটাই ব্যান হয়ে যাবে? মুষলপর্বে বড় বিপর্যয়ের মুখে তৃণমূল | Dilip Ghosh Demands Ban on TMC Symbol Amid Rebellion by 50 MLAs Against Abhishek Banerjee

Spread the love

তৃণমূলের প্রতীক ব্যান?Image Credit: TV9 Bangla

কলকাতা: বিধানসভায় বিরোধী দলের আসনে এখনও বসলেনই না তৃণমূল বিধায়করা। তার আগেই বহিষ্কৃত হয়ে গেলেন দুই বিধায়ক। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় ও সন্দীপন সাহা  সমান্তরাল একটি অক্ষরেখা তৈরি করেছে। আপাতত এই অক্ষরেখা ঘিরে বেষ্টিত হতে শুরু করেছেন বিক্ষুব্ধ তৃণমূলীরা। তৃণমূলের সর্ব ভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ জারি করেছেন ৫০ বিধায়ক। রীতিমতো অস্তিত্বহীনতায় ভুগছে তৃণমূল! এই নিয়ে গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষকে প্রশ্ন করা হলে তাঁর সাফ কথা, ‘তৃণমূলের প্রতীকটাই ব্যান করে দেওয়া উচিত।’

তৃণমূল দলের বর্তমান অবস্থা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে দিলীপ টেনে আনেন প্রয়াত সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের কথা। তিনি বলেন, “আমি শুনেছিলাম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় একটা সময়ে ঘনিষ্ঠ বৃত্তে বলেছিলেন, এটা এখন আর দল নেই, দল-দল হয়ে গিয়েছে। প্ল্যাটফর্মে অনেক লোক দাঁড়িয়ে রয়েছেন, বিভিন্ন দিকে যাবেন। যাঁর ট্রেন আগে আসছে, তিনি চলে যাচ্ছেন। উনি নেই, কিন্তু ওনার কথাটা অক্ষরে অক্ষরে ফলে যাচ্ছে।” দিলীপের কথায়,  আসলে তৃণমূলে যে যেখান থেকে এসেছিল, সেখানে তারা চলে যাচ্ছে।  কিছু ধান্দাবাজ লোক এদিক-ওদিক থেকে চলে আসছে। দিলীপের কথায়, “পয়সা কামানোর জন্য তৃণমূল করেছে লোকগুলো। ভয়ে এখন আর বাড়ি থেকে বেরোচ্ছে না।”

আর এ প্রসঙ্গে বলতে গিয়েই দিলীপ বলেন, “বিধানসভায় ঢুকলই না, সাসপেন্ড হয়ে গেল দুজন। আমি তো অবাক হয়ে যাচ্ছি। মুষলপর্ব শুরু হয়েছে, ধীরে ধীরে ধ্বংসের পথে যাবে। এই দলটা মাটিতে মিটিয়ে যাবে।  আমরা তো শুনেছি, পার্টি অফিসে পিঠে তৈরি করতে যেতেন। পার্টিটাকে ব্যান করে দেওয়া উচিত। প্রতীক ব্যান করে দেওয়া উচিত। ওদের রাজনীতিতে থাকা উচিত নয়।”

শুধু দিলীপ কেন, মন্ত্রী অর্জুন সিংও দাবি করেছেন, তৃণমূল ভেঙে আলাদা দল হবে। ২২ জুন বিধানসভা অধিবেশন শুরু হওয়ার আগেই তৃণমূল ভেঙে আলাদা তৈরি হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *