অভিষেক-কল্যাণের উপর হামলা তৃণমূলের ৭৫-২৫ ভাগ বাটোয়ারার লড়াই, বললেন শমীক
অভিষেক এবং কল্যাণের ঘটনার ক্ষেত্রেই পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করেছে বলে অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল। তার প্রেক্ষিতে শমীক বলেন, ‘আগে কেউ কেউ দিল্লি গিয়েছেন। সঙ্গে নিয়ে গিয়েছেন পাঁচশো পুলিশকর্মী। তাঁদের জন্য স্বাভাবিক পরিষেবার ব্যবস্থা হত না। ১০০ জন মহিলা পুলিশকর্মীকে সঙ্গে নিয়ে যেতেন। তাঁদের জন্য শৌচালয় থাকত না। তিনটে মাত্র শৌচালয় দিত। তাঁরা ক্ষোভে ফুঁসতেন। তাঁরা আমাদের কাছে সে সব বলতেন। এখন পুলিশের নামে দোষ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু পুলিশ কী করবে? তৃণমূলের ভাইয়ে-ভাইয়ে যদি লড়াই হয়, পুলিশ সেখানে কী করতে পারে?’
পাল্টা জবাব দিয়েছেন তৃণমূলের রাজ্য সহ-সভাপতি জয়প্রকাশ মজুমদার। তিনি বলেন, ‘২০০২ সালের গুজরাতে হিংসার ঘটনার পর সে রাজ্যের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে রাজধর্ম পালনের নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী অটলবিহারী বাজপেয়ী। লড়াই যাঁদের মধ্যেই থাকুক, পুলিশ প্রশাসন এ সব বরদাস্ত করতে পারে না। আইনশৃঙ্খলা বলেও একটা বিষয় আছে। সেখানে তো পুলিশ হাত গুটিয়ে বসে থাকতে পারে না। আজ যদি এক জন সাংসদের সঙ্গে এই ধরনের ঘটনা ঘটে, তা হলে সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা কোথায়? বাংলার সরকার রাজধর্ম পালন করুক।’ তাঁর সংযোজন, ‘আর ওখানে যাঁদের দেখা গিয়েছে, তাঁরা তো বিজেপির সঙ্গেই যুক্ত। কত ছবি তো বেরিয়ে গিয়েছে, যেখানে তাঁদের বিজেপির নেতা-মন্ত্রীদের সঙ্গে দেখা গিয়েছে।’