Vladimir Putin: ২৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ, অমরত্ব লাভের পথে পুতিন? | Vladimir Putin’s 26 dollar Billion Quest for Longevity: Russia Invests in Anti Aging and Life Extension Technologies - 24 Ghanta Bangla News
Home

Vladimir Putin: ২৬ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ, অমরত্ব লাভের পথে পুতিন? | Vladimir Putin’s 26 dollar Billion Quest for Longevity: Russia Invests in Anti Aging and Life Extension Technologies

Spread the love

মস্কো: মানুষ কি কখনও অমর হতে পারে? উত্তর, অবশ্যই না। অমরত্ব লাভের গল্প আমরা রূপকথার গল্পেই শুনেছি। বাস্তবটা আসলে কঠিন। জন্ম হলে একদিন না একদিন সবাইকেই মরতেই হবে। এই প্রসঙ্গেই মাইকেল মধুসূদন দত্তের একটি কবিতার লাইন ভীষণভাবে প্রাসঙ্গিক।’ জন্মিলে মরিতে হবে, অমর কে কোথা কবে’। কিন্তু, এবার সেই অসম্ভব বিষয়টাই সম্ভব করে তুলতে চাইছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন (Vladimir Putin)। ইতিমধ্যেই অমর হওয়ার খোঁজ শুরু করে দিয়েছেন। এর আগে পুতিনকে একাধিকবার বয়স নিয়ে বলতে শোনা গিয়েছিল। এবার নয়া উদ্যোগও নিয়ে ফেলেছেন। তাহলে কি পুতিন সত্যিই অমরত্বের (Immortality)পথে এগোচ্ছেন?

অমরত্ব লাভে পুতিনের নয়া প্রকল্প 

জানা গিয়েছে, নতুন প্রকল্পের নাম হল নিউ হেলথ প্রিজ়ারভেশন টেকনোলজিস। আয়ু বাড়াতে ও বার্ধক্যের রহস্য উদঘাটনের জন্য এই নয়া প্রকল্প চালু করা হয়েছে। মূলত, এই প্রকল্প চালুর মাধ্যমে অমরত্ব লাভের প্রচেষ্টায় জোর দিয়েছেন। আর অমরত্ব লাভে এই প্রকল্পে পুতিনের সরকারই বিনিয়োগ করেছেন ২৬ বিলিয়ন ডলার। এই বিশেষ প্রকল্পে কীভাবে কাজ হবে, বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম সূত্রে সেই বিষয়েও জানা গিয়েছে।

২০২৪ সালে সরকারিভাবে এই মেগা প্রোজেক্ট চালু হয়েছে। এই প্রকল্পে মূলত মানুষের বয়স হওয়া বা বার্ধক্যের প্রক্রিয়াকে ধীর করাই মূল লক্ষ্য। একইসঙ্গে কৃত্রিমভাবে মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে আয়ু বাড়ানো। এই প্রক্রিয়ায় জিন থেরাপি, থ্রি-ডি বায়োপ্রিন্টিং, জেনোট্রান্সপ্লান্টেশন ও ক্রায়োথেরাপি। গত মাসে রাশিয়া ঘোষণা করেছে, সরকারি বিজ্ঞানীরা কোষের বার্ধক্য প্রক্রিয়াকে ধীর করার লক্ষ্যে জিন থেরাপি চিকিৎসা নিয়ে কাজ করছেন। মন্ত্রী ডেনিস সেকিরিনস্কি জানিয়েছেন, এই গবেষণাটি বার্ধক্য প্রতিরোধের লড়াইয়ে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় পথগুলোর মধ্যে একটি। এদিকে, জেনোট্রান্সপ্ল্যান্টেশন হল জিনগতভাবে পরিবর্তিত ছোট আকারের শূকরের ভেতরে মানুষের উপযোগী অঙ্গ তৈরি করার একটি প্রক্রিয়া। লক্ষ্য একটাই, ২০৩০ সালের মধ্যে সম্পূর্ণ মানব অঙ্গ প্রতিস্থাপন।

বিগত বছরগুলোতে পুতিনকে বারবার বার্ধক্য নিয়ে আলোচনা করতে দেখা গিয়েছে। প্রসঙ্গত, বেজিংয়ে বিজয় দিবসের অনুষ্ঠানে চিনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে তাঁর গোপন কথোপকথন সামনে এসেছে। সেখানে পুতিন শি জিনপিং-কে অঙ্গ প্রতিস্থাপনের মধ্যে দিয়ে অমরত্ব অর্জন নিয়ে কথা বলতে শোনা যায়। জবাবে জিনপিং জানান, একবিংশ শতাব্দীর শেষ নাগাদ মানুষ ১৫০ বছর বয়স পর্যন্ত বাঁচতে পারবে। বলেন, “অতীতে ৭০ বছরের বেশি বাঁচাটা বিরল এবং আর আজকাল বলা হয় যে ৭০ বছর বয়সেও মানুষ শিশু। মানুষের অঙ্গ ক্রমাগত প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হচ্ছে, এবং মানুষ আরও কম বয়সী হয়ে বাঁচতে পারছে। এমনকি অমরত্বও অর্জন করতে পারছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, এই শতাব্দীতে ১৫০ বছর পর্যন্ত বেঁচে থাকারও সম্ভাবনা রয়েছে।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *