বক রাক্ষসকে ভীম বধ করার পরে পুজো দেন কুন্তী, সেই মন্দির প্রাঙ্গণে মিলল শিবলিঙ্গ
বীরভূমের এই মন্দিরকে কেন্দ্র করে এক কথিত ইতিহাস রয়েছে। স্থানীয়রা জানান, বীরচন্দ্রপুরের পাণ্ডবতলায় অজ্ঞাতবাসে ছিলেন পঞ্চপাণ্ডব। সেই সময়ে এই অঞ্চলেই বাস ছিল বক রাক্ষসের। যে প্রতিদিন কয়েক মণ চালের ভাত খেত, এমনকী প্রতিদিন একজন মানুষকে হত্যা করে খেত বলেও প্রবাদ রয়েছে। কিন্তু একদিন অতিথি হিসেবে পঞ্চপাণ্ডব এবং কুন্তি গিয়েছিলেন এলাকারই ব্রাহ্মণের বাড়িতে। সেখানে গিয়ে ব্রাহ্মণ ও তাঁর স্ত্রীকে কান্নাকাটি করতে দেখে কুন্তি কারণ জানতে চান। ব্রাহ্মণের স্ত্রী কুন্তীকে বলেন, সেদিনই তাঁর ছেলেকে খাবার পালা বক রাক্ষসের। সেই কথা শুনে ভীম নিজে খাবার দিতে যান। বক রাক্ষসের সামনে তিনি নিজেই গোগ্রাসে খাওয়া শুরু করেন। তা দেখে খেপে ওঠে সেই রাক্ষস। দু’জনের মধ্যে মল্লযুদ্ধ শুরু হয়। অসুর ডাঙায় বক রাক্ষসকে বধ করে ভীম। যুদ্ধে জয় লাভের পর প্রদীপ কুন্তী পুজো দিয়েছিলেন মদনেশ্বর মন্দিরে। জ্বালিয়েছিলেন প্রদীপ। স্থানীয়রা বলেন, মহাভারতের যুগের সেই বিশালাকার পাথরের প্রদীপ রয়েছে এই মন্দিরে। আজও প্রতিবছর দীপাবলিতে জ্বালানো হয় এই মন্দিরেই।