রাহুলের বৈঠকে সিদ্দা, অন্তর্দ্বন্দ্ব নিয়ে তোপ বিজেপির
পদ্ম–শিবিরের তোপ, ‘একজন নেতা যতই বয়োজ্যেষ্ঠ, অভিজ্ঞ বা নির্বাচনীভাবে গুরুত্বপূর্ণ হোন, শেষ পর্যন্ত তিনি এমন একটি ব্যবস্থার মধ্যে কাজ করেন, যেখানে কর্তৃত্ব এককেন্দ্রিক। সেখানে অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্রের স্লোগানের আড়ালে রয়েছে পারিবারিক রাজনীতির সংস্কৃতি। সেখানে নেতারা শ্রমিক বা ভোটারদের ঐকমত্যের জন্য নয়, বরং গান্ধী পরিবারের অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করেন।’ সিদ্দারামাইয়া বৃহস্পতিবারই দাবি করেছেন, মুখ্যমন্ত্রিত্ব থেকে সরে দাঁড়ানো তাঁর নিজস্ব সিদ্ধান্ত, কোনও চাপের মুখে এটা করেননি তিনি। তবে সূত্রের খবর, অপসারণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত কংগ্রেস সংসদীয় দলের চেয়ারপার্সন সনিয়া গান্ধীই নিয়েছেন, এতে দলীয় সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গের কোনও ভূমিকা ছিল না। খাড়গেও প্রকারান্তরে তা স্বীকার করেছেন। এই ইস্যুতেই বিজেপির অভিযোগ, ‘কংগ্রেসের চিরন্তন রাজনৈতিক বৈশিষ্ট্য এটাই৷ এখানে দলের প্রথম পরিবারের অনুমোদন ছাড়া কোনও কিছুই সম্ভব নয়৷ এই কারণেই কেরালার মুখ্যমন্ত্রীর নাম ঘোষণা করতে কংগ্রেসের ১০ দিন সময় লেগেছিল, কারণ গান্ধী পরিবারের চূড়ান্ত অনুমোদন আসেনি৷’