Arup Chakraborty: মমতার কাছে দলের অসুখ পৌঁছতে দেননি কম্পাউন্ডাররাই! মুখপাত্র পদ থেকে ইস্তফা দিয়েই কাদের কথা বললেন অরূপ চক্রবর্তী? | TMC Spokesperson Arup Chakraborty Resigns, Admits ‘Multiple Problems’ Within Party
কলকাতা: বুধবার তিনি মিউনিসিপ্যালিটি অ্য়াকাউন্টস কমিটির পদে ইস্তফা দিয়েছেন। সাংবাদিকদের সামনে তখনই আভাস দিয়েছিলেন, দল বললে তিনি মুখপাত্রের পদও ছাড়বেন। রাত পোহাতেই তৃণমূলের মুখপাত্রের পদ ছাড়লেন অরূপ চক্রবর্তী। TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এসে একেবারে দলের বিরুদ্ধে ‘বিদ্রোহী’ অরূপ। তৃণমূলে থেকেই তিনি স্বীকার করলেন, দলে একাধিক রোগ রয়েছে। আর সেই রোগ সারাতে দেয়নি দলেরই কম্পাউন্ডাররা।
তিনি উদাহরণ দিলেন চিংড়িঘাটা মেট্রো প্রকল্পের। TV9 বাংলার নিউজ রুমে বসে তিনি বললেন, “আমি তো এখানে আসার সময়েই দেখে এলাম চিংড়িঘাটা ফ্লাইওভার পেরিয়ে এলাম। কিন্তু মেট্রো রেলের কাজটা আমাদের সরকার আটকে রেখেছিল। সুপ্রিম কোর্ট গিয়েছিল। আমিও সে সময়ে যুক্তি দিয়েছিলাম। কিন্তু সেই যুক্তি আমার কাছেও সে সময়ে বিশ্বাসযোগ্য লাগেনি। অথচ কাজটা ৫ দিনে হয়ে গেল। তাহলে কারা?”
তখনই তিনি বলেন, “আসলে ডাক্তারবাবু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে কোন কম্পাউন্ডাররা এই বুদ্ধিটা দিয়েছিলেন, কাজটা আটকে রাখতে হবে? কী ইন্টারেস্ট ছিল? আজকে দল সাফার করছে এই কম্পাউন্ডারগুলোর জন্যই। আজকে তো বোঝা যাচ্ছে, এই কম্পাউন্ডাররাই মিস লিড করেছে পার্টিটাকে। যাঁরা দলটাকে ড্যামেজ করে গিয়েছে, তাঁরা চুপ করে পিছনের দরজা দিয়ে পালাচ্ছে।”
তাঁর কথায়, তৃণমূল ধীরে ধীরে তৃণমূল স্তর থেকে সরিয়ে গিয়েছে। মানুষ থেকে সরে গিয়েছে, আর এর জন্য দায়ী, ‘ডাক্তার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের চেম্বারের বাইরে থাকা কম্পাউন্ডাররাই।’
আরজি কর নিয়েও এতদিনে মুখ খোলেন অরূপ। প্রশ্ন তোলেন সন্দীপ ঘোষের প্রমোশনাল ট্রান্সফার নিয়েও। তাঁর বক্তব্য, এসব কারণে মানুষের মনে ক্ষোভ দানা বেঁধেছে। এদিন ‘বিদ্রোহী’ অরূপের মুখে বারবার উঠে এসেছে দলের কম্পাউন্ডারদের কথা। তিনি বললেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আলোয় আলোকিত হয়ে এই কম্পাউন্ডাররাই রাজ্য জুড়ে তৃণমূলের এজেন্সি নিয়ে রেখেছিল। দিদিকে নিয়ে কোনও বক্তব্য নেই। দিদি আমাদের কাছে মায়ের পরের জায়গাটাই। সেই কম্পাউন্ডারগুলো পালিয়ে গিয়েছে, যারা রোজ সিকিউরিটি নিয়ে ঘুরত।”